Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কতজন অ-নাগরিককে ভারতীয় পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে, তার কোনো সংকলিত বা একত্রিত তথ্য সরকারের কাছে নেই(Non Citizen Passport)। একটি আরটিআই (RTI) আবেদনের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, পাসপোর্ট আইন, ১৯৬৭-এর ২০ নম্বর ধারা অনুযায়ী অ-নাগরিকদের ইস্যু করা পাসপোর্টের আলাদা কোনো পরিসংখ্যান রাখা হয় না।
কী বলে ২০ নম্বর ধারা? (Non Citizen Passport)
পাসপোর্ট আইনের ২০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার যদি জনস্বার্থে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে করে, তবে ভারতের নাগরিক নন এমন কোনো ব্যক্তিকেও ভারতীয় পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি প্রদান করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।
অন্যান্য পরিসংখ্যান থাকলেও ব্যতিক্রম
সরকার রাজ্যভিত্তিক বা লিঙ্গভিত্তিক পাসপোর্টের তথ্য নিয়মিত সংসদে পেশ করলেও, কতজন অ-নাগরিকের হাতে ভারতীয় পাসপোর্ট রয়েছে—সেই সংক্রান্ত কোনো একীভূত নথি মন্ত্রকের প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষও দিতে অস্বীকার করেছে।
২০১৬ সালের সরকারি অবস্থান
২০১৬ সালের মার্চ মাসে সংসদে সরকার স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, যথাযথ পরিচয় এবং নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পরেই কেবল ভারতীয় পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। কোনো অ-নাগরিক বেআইনিভাবে পাসপোর্ট নিলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি পদক্ষেপ ও পাসপোর্ট বাতিলের নিয়ম নির্ধারিত ছিল।
‘ভ্রমণ নথি’, নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ নয় (Non Citizen Passport)
তবে সম্প্রতি ১৪তম ‘পাসপোর্ট সেবা দিবসে’ পররাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভারতীয় পাসপোর্ট মূলত একটি ‘ভ্রমণ নথি’ (travel document)। এটি কোনো ব্যক্তির ভারতীয় নাগরিকত্বের একচ্ছত্র বা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হতে পারে না।
আরও পড়ুন: Tata Chairperson Step Down: এন চন্দ্রশেখরনের বিদায়: টাটা গ্রুপে নতুন নেতৃত্বের খোঁজ
আইনি জটিলতা ও বৈপরীত্য (Non Citizen Passport)
যেহেতু ২০ নম্বর ধারার অধীনে অ-নাগরিকদেরও পাসপোর্ট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, তাই পাসপোর্ট থাকলেই কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারতীয় নাগরিক—এমনটা বলা যায় না। কিন্তু ২০১৬ সালের “নাগরিকত্ব যাচাই বাধ্যতামূলক” বার্তা এবং বর্তমানের “পাসপোর্ট কেবল ভ্রমণ নথি” অবস্থানের মধ্যবর্তী এই পরিবর্তন নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।



