Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভ্রদীপ দাস: কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট বা SRFT (SRFTI)I ক্যাম্পাসে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। রবিবার ক্যাম্পাসের ভিতরের একটি প্রেক্ষাগৃহে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বচসা ও পরে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে দু’পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।

অনুষ্ঠান চলাকালীনই শুরু বচসা (SRFTI)
জানা গিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ক্যাম্পাসের একটি প্রেক্ষাগৃহে ওই সংগঠনের অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় SRFTI-এর একদল পড়ুয়া অনুষ্ঠানের বিষয়ে আপত্তি জানান বলে অভিযোগ। অনুষ্ঠান বন্ধ বা তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও আয়োজকদের তরফে অভিযোগ উঠেছে। যদিও পড়ুয়াদের বক্তব্য এবং তাঁদের আপত্তির সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি।
কথা কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি (SRFTI)
অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর তা হাতাহাতিতে গড়ায় বলে অভিযোগ। মুহূর্তের মধ্যে ক্যাম্পাসের ভিতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিদের মধ্যেও পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয় বলে জানা গিয়েছে।
পাল্টাপাল্টি মারধরের অভিযোগ (SRFTI)
ঘটনার পর দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ফলে ঠিক কী কারণে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হল এবং প্রথমে কারা শারীরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। দুই পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য থাকায় ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, বাড়ল নিরাপত্তা প্রশ্ন (SRFTI)
খবর পেয়ে পুলিশ ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনাটি নিয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে অনুষ্ঠান চলাকালীন কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
কী পদক্ষেপ করবে কর্তৃপক্ষ?
পুরো ঘটনায় SRFTI কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে। অনুষ্ঠানের অনুমতি, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ—সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে ঘটনার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে পুলিশি তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



