Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: চেনা পুরুলিয়াকে অচেনা ভাবে যদি পেতে চান তবে একবার বর্ষায় ঘুরে আসুন পুরুলিয়া থেকে। জল-জঙ্গল জুটিতে বর্ষায় হিট পুরুলিয়া (Tour)।
পুরুলিয়া (Tour)
কাছে পিঠেও এমন অনেক জায়গা আছে যার সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে। রোজকার ক্লান্তি ভুলতে মাঝেই মাঝেই বেড়াতে যাই আর ফিরে আসি একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে। সেরকমই একটা জাইগা হলো পুরুলিয়া। পলাশের টানে বহু পর্যটক পুরুলিয়া ভ্রমণে যান দোল উৎসবে তবে বর্ষাকালে এর সৌন্দর্য যেন আরও বেশি করে দেয় পর্যটকদের কাছে (Tour)।

বর্ষার অপরূপ সাজে সেজে ওঠে পুরুলিয়া। জল-জঙ্গল যেন আরও মনমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি করে বর্ষার সময়। পর্যটকদের ভিড় দিনদিন বেড়েছে পুরুলিয়ায়। তবে এখনও বেশ অনেক জায়গায় অজানা থেকে গেছে এখানে। গড়পঞ্চকোট, জয়চণ্ডী পাহাড়, অযোধ্যা পাহাড় ঘিরে তৈরি হয়েছে পর্যটনের এই তবে ঝালদার অংশ বাদ থেকে যায়। কিন্তু এই অংশও কোনও ভাবে কম না সৌন্দর্যের দিক থেকে। দোল এবং শীতের সময় যেমন পর্যটকরা ভিড় জমান তেমনই এখানে বর্ষাকাল ও মনমুগ্ধকর। রইলো পুরুলিয়ার অফবিট কিছু জায়গার খবর।
জাজাহাতু
পুরুলিয়া গেলে ভ্রমণে ঠিকানা হিসেবে থাকতেই জাজাহাতুর নাম। জাজাহাতু নামটা অন্যরকম শোনালেও এর কিন্তু মানে আছে। জাজা শব্দের অর্থ হল তেঁতুল আর হাতু শব্দের অর্থ হল বসতি। পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ড সীমানায় অবস্থিত জাজাহাতু যত দিন যাচ্ছে তত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পর্যটকদের কাছে। বর্ষাকালে এখানে দেখা যায় সবথেকে বেশি সবুজের সমাহার। বাকি সময়েও এর রূপ অসাধারণ হলেও বর্ষায় এর সৌন্দর্য যেন কয়েকগুণ বেড়ে যায় (Tour)।

জাজাহাতুকে ঘিরে রয়েছে ছোটবড় নানা পাহাড়। রাস্তার দুপাশ ঘিরে রয়েছে সবুজ অরণ্য। বর্ষাকালে এখানে ভিড় তেমন না থাকায় প্রকৃতির রূপ যেন আরও বেশি করে উপলব্ধি করতে পারবেন আপনি। এখান থেকে ঘুরে নেওয়া যায় লায়েক বাঁধ, পাঁড়রি ড্যাম। ট্রেনে গেলে মুরী জংশনে নেমে তারপর যেতে হবে। মুরী জংশন অথবা ঝালদা স্টেশন থেকে অটো বা গাড়িতে জাজাহাতু যাওয়া যায়। মুরী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার। ঝালদা স্টেশন থেকে জাজাহাতুর দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার (Tour)।
আরও পড়ুন: Job News: রেলের এই সংস্থায় চাকরির সুযোগ, সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
তুলিন
ঝালদা যাত্রা শুরু করতে পারেন তুলিন দিয়েও। সুবর্ণরেখার পাশে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানাবর্তী গ্রাম তুলিন। প্রতিটা মরশুমে যেন নানান রঙে নিজেকে সাজিয়ে নেয় প্রকৃতি। পলাশ রঙা পুরুলিয়া যেমন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু তেমনই বর্ষায় সবুজের সমাহার আপনাকে বারবার যেতে বাধ্য করবে এই ছোট্ট গ্রামটি। লালমাটির পথ, আদিবাসী গ্রাম, জঙ্গলে ঘেরা রাস্তার দুপাশ, পাকির ডাক আর বর্ষার সবুজ এই সবই উপভোগ করতে পারবেন এখানে। আপনি চাইলে গাড়ি নিয়েও ঘুরে দেখতে পারেন এই গ্রামকে (Tour)।

তুলিন রেল স্টেশনও থাকলেও আপনি মুরী জংশন থেকে গাড়িতেও আস্তে পারবেন এখানে। এখানে ঝর্ণা, বাঁধ ঘুরে দেখতে পারেন আর সেটা দেখতে মন না চাইলে প্রকৃতির সাথে কাটাতে পারবেন সময়। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরের এই গ্রাম আপনাকে ভুলিয়ে দেবে শহুরে ক্লান্তি। চাইলে অরণ্য ঘেরা এই মনোরম স্থানটি রাখতেই পারেন আপনার উইশ লিস্টে (Tour)।


