Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্যানিক অ্যাটাককে ‘পাগল’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন অনেকেই (Panic Attack)। যদিও চিকিৎসকরা বলছেন, প্যানিক অ্যাটাক হওয়া মানে পাগল হয়ে যাওয়া বা মানসিক কোনও সমস্যা নয়। এটি মনের ভিতরের নির্দিষ্ট কোনও আবেগজনিত সমস্যার জন্য হতেই পারে।
আদেও কি সব কিছু নিয়ে অতি বাড়াবাড়ি (Panic Attack)
প্যানিক অ্যাটাক শুনলেই কেউ কেউ বলেন বাড়াবাড়ি করছে। কেউ আবার বিষয়টিকে কোনও সমস্যা বলে গুরুত্ব দিতেই চান না। কেউ আবার প্যানিক অ্যাটাককে ‘পাগল’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও চিকিৎসকরা বলছেন প্যানিক অ্যাটাক হওয়া মানে পাগল হয়ে যাওয়া বা মানসিক কোনও সমস্যা নয়। এটি মনের ভিতরের নির্দিষ্ট কোনও আবেগজনিত সমস্যার জন্য হতেই পারে।
প্যানিক অ্যাটাকের সাধারণ উপসর্গ কী (Panic Attack)
দ্রুত হৃদস্পন্দন হওয়া বা হৃদকম্পন। শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা বা চাপ, মাথা ঘোরা, হাত বা মুখে অবশভাব বা ঝিঝি ধরা, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর বা মৃত্যুভয়ের অনুভূতি প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে।
মনে রাখবেন প্যানিক অ্যাটাক মানে হার্ট অ্যাটাক নয়। এটি কোনও শারীরিক দুর্বলতা বা কারও মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টাও নয়। স্রেফ দীর্ঘ দিন ধরে নেওয়া প্রচণ্ড মানসিক চাপের ফল।
প্যানিক অ্যাটাকের ঝুঁকির মধ্যে আছেন কিনা বুঝবেন কীভাবে?
উদ্বেগ, ট্রমা বা মুড ডিসঅর্ডারের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক ইতিহাস। উচ্চ-চাপের কাজ বা ব্যক্তিগত পরিসরে অশান্তি। থাইরয়েডের অসামঞ্জস্যতা বা রক্তে শর্করার ওঠানামার মতো শারীরিক সমস্যা। দীর্ঘমেয়াদে ঘুমের অভাব। সোশ্যাল মিডিয়া, খবর বা ক্যাফেইনের অতিরিক্ত প্রভাব থাকলে সাবধান হতে হবে।

প্যানিক অ্যাটাক হলে কী করণীয়? (Panic Attack)
১. ৪-৭-৮ শ্বাস-প্রশ্বাস নিন
২. ৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন – ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন – ৮ সেকেন্ডে ছাড়ুন।
৩. ঠান্ডা জলের শেক দিন মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপ্টা দিতে পারেন।
৪. গ্রাউন্ডিং টেকনিক
৫টি জিনিস দেখুন, ৪টি স্পর্শ করুন, ৩টি কথা শুনুন, ২টি গন্ধ নিন, ১টি স্বাদ নিন।
৫. হাঁটাচলা করুন
প্যানিক অ্যাটাক কী এবং এটি কীভাবে প্রকাশ পায় (Panic Attack)
● দ্রুত হৃদস্পন্দন বা ধড়ফড়
● শ্বাসকষ্ট
● বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি
● কাঁপুনি বা কাঁপুনি
● বমি বমি ভাব বা পেটে ব্যথা
● অবাস্তবতা বা বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি।
রাশের বিশেষজ্ঞরা প্যানিক ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা প্রদান করেন — যার মধ্যে রয়েছে ওষুধ এবং সাইকোথেরাপি — যা প্যানিক অ্যাটাক কমাতে এমনকি নির্মূল করতে পারে।


