Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সন্তান ক্রমাগত একগুঁয়ে আর জেদি হয়ে উঠছে? সেই আচরণ পাল্টাতে গেলে অভিভাবকদেরও অভ্যেস ও আচরণে আনতে হবে বদল।
নেপথ্য কাহিনী (Parenting)
আজকাল কম-বেশি সকল অভিভাবকদের অভিযোগ তাঁদের সন্তানের আচরণ নিয়ে। সন্তান খুব বেশি জেদি আর একগুঁয়ে হয়ে যাচ্ছে, কারোর কোনও কথাই শুনতে চাইছে না, হারিয়ে ফেলছে প্রাথমিক সহবত শিক্ষা। সাম্প্রতিক কালের গবেষণায় দেখা গেছে সন্তানের আচরণ অনেকটাই নির্ভর করে তার মা-বাবার উপর (Parenting)। অতিরিক্ত কড়া মনোভাব অথবা সারাক্ষণ তাঁদের সন্তানদের নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতাই সন্তানের আচরণ পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। এর ফলে সেই সন্তান সহজেই আসক্ত হয়ে পড়ে ইন্টারনেটে, যার কারণে তারা মিশতে পারে না, খেলতে শেখে না আর এইসবের ফলে তার আচরণে বদল আসতে শুরু করে। অভিভাবকদের আচরণেও কিছু পরিবর্তন আনা দরকার যা সেই সন্তানের অনুসরণযোগ্য হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন : Bollywood Friendship: শুধু সিনেমায় নয়, বাস্তবেও হিট বলিপাড়ার এসব বন্ধু জুটি!
কোন কোন অভ্যেস সন্তানের মানসিক গঠন ঠিক করবে (Parenting)
সন্তানের সঠিক শিক্ষার জন্য যেমন তার অভিভাবকদের সংযত হতে হবে (Parenting) তেমনই আচরণেও কিছু পরিবর্তন আনা দরকার।
১) সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনা
সন্তান সারাদিনের পর তার মা-বাবার কাছে তুলে ধরতে চায় তার সারাদিনের ঘটনা, কী কী ঘটেছে বা সে কী কী করেছে সেইসবই বলার চেষ্টা করে। এইসব কথা উচিৎ মনোযোগ দিয়ে শোনা নাহলে সেই সন্তানের মনেও কথা না শোনার প্রবণতা জন্মাতে পারে।
২) পক্ষপাত না করে বিচার করা
দুই সন্তান থাকলে একজনের প্রতি অতিরিক্ত পক্ষপাত অন্যজনের মনে আঘাত দিয়ে ফেলে অথবা সবসময় তুলনা টেনে কথা বললেও সেটা সন্তানের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
৩) সন্তানের ইচ্ছের বিরুদ্ধে লক্ষ স্থির করা
সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য তার জীবনের লক্ষ অভিভাবকদের বেঁধে না দেওয়াই ভাল, বড় হয়ে সে কী হতে চায় বা কী নিয়ে পড়তে চায় সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সেই সন্তানের উপর ছেড়ে দিন। এর ফলে যেমন সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখবে তেমনই স্বাধীন ভাবে চিন্তা করতে সক্ষম হবে।
৪) সবসময় ভুল ধরবেন না
সন্তানের প্রতিটা কাজে ভুল খুঁজে না বের করে বরং তার ছোট ছোট কাজগুলোর প্রশংসা করলে তার আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে ছোট থেকেই।


