Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পয়লা বৈশাখের সকাল যে দিন বাঙালির কাছে নতুন সূচনার প্রতীক, সেই দিনেই সকাল ৬টা ১৭ মিনিটে জন্ম নেয় নতুন অতিথি (Prabhat Roy)। সমাজমাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় প্রভাত রায় লিখেছেন, “নববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার। জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার। দাদু হলাম… নাতনি চেয়েছিলাম, উপরওয়ালা আশাপূরণ করলেন।” এই একটুকরো প্রাণ যেন শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং এক নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

মা ও সন্তান সুস্থ, স্বস্তিতে পরিবার (Prabhat Roy)
চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়েছে, মা একতা ভট্টাচার্য ও নবজাতক দু’জনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখন খুশির জোয়ার। নতুন অতিথিকে ঘিরে সকলেই উচ্ছ্বসিত।
‘রায়বাঘিনী’—নামের মধ্যেই স্নেহের ছোঁয়া (Prabhat Roy)
নাতনির জন্য বহুদিন ধরেই অপেক্ষায় ছিলেন প্রভাত রায়। আদর করে তিনি আগেই নামও ঠিক করে রেখেছিলেন—‘রায়বাঘিনী’। এই নামের মধ্যেই রয়েছে ভালোবাসা, গর্ব আর ভবিষ্যতের এক দৃঢ় স্বপ্ন।
জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পাওয়া (Prabhat Roy)
এই খুশির মুহূর্তে নিজের জীবনের কঠিন সময়ের কথাও স্মরণ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “একটা সময়ে বেঁচে থাকার ইচ্ছে চলে গিয়েছিল। কিন্তু ঈশ্বর আমাকে একতার মতো সন্তান দিয়েছেন। নতুন করে বাঁচার ইচ্ছা ফিরে পেয়েছি।” এই বক্তব্যে ফুটে ওঠে একজন মানুষের গভীর আবেগ, যিনি পরিবারের ভালোবাসায় নতুন করে জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: Badminton Ayush Shetty: রূপোয় থামতে হল আয়ুষকে!
কাজের ফাঁকেই দায়িত্বে অবিচল একতা
সন্তান জন্মের আগের দিন পর্যন্তও কাজ চালিয়ে গেছেন একতা ভট্টাচার্য। সামনে রয়েছে একাধিক সিনেমার মুক্তি, তাই দায়িত্ব থেকে একচুলও সরেননি তিনি। টিমকে নির্দেশ দেওয়া, মোশন লোগো ও পোস্টার ডিজাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সবকিছুই সামলেছেন দক্ষতার সঙ্গে। এ যেন আধুনিক নারীর এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি যিনি মাতৃত্ব ও পেশাগত দায়িত্ব, দুই-ই সমানভাবে বহন করেন।



