Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আসন্ন উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল (Rahul Gandhi) কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিল পরিস্থিতি। দলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের আসল তৃণমূল হিসেবে দাবি করায় নির্বাচন কমিশন আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং সংরক্ষিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে বিকল্প নাম ও প্রতীক নিয়ে এগোতে হবে।
কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশ (Rahul Gandhi)
কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশ (Rahul Gandhi) অনুযায়ী, দুই পক্ষকেই তিনটি করে বিকল্প দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের পছন্দ জানাতে বলা হয়েছে। সেই তালিকা থেকে কমিশন প্রতিটি গোষ্ঠীর জন্য একটি করে নাম ও প্রতীক নির্ধারণ করবে। তবে দলীয় নাম ও প্রতীকের উপর কার সাংগঠনিক অধিকার থাকবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
রাহুল গান্ধীর সমালোচনা (Rahul Gandhi)
কমিশনের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের ক্ষেত্রে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে শিবসেনা ও এনসিপির অভ্যন্তরীণ বিভাজনের পর প্রতীক সংক্রান্ত ঘটনাগুলির মিল রয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব মানুষের ভোটের রায় রক্ষা করা। এই সিদ্ধান্তকে তিনি গণতন্ত্র সংক্রান্ত বৃহত্তর উদ্বেগের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এগুলি রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক বক্তব্য ও অভিযোগ।
আরও পড়ুন: Karam Puja Holiday: করম পুজোয় রাজ্যে ছুটি ঘোষণা, বন্ধ থাকবে কোন কোন অফিস?
পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ভোটের আগে দলীয় নাম, সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ কমিশনের সামনে পৌঁছয়।
এখন দুই শিবির কোন বিকল্প নাম ও প্রতীক বেছে নেয় এবং কমিশন শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।


