Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ওঠা সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় বড়সড় স্বস্তি দিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট(Rahul Gandhi SC)। এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (CBI) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) যেন এই মামলার কোনও রিপোর্ট কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে জমা না দেয়।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহানার সমন্বয়ে গঠিত তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। আদালত এলাহাবাদ হাইকোর্টকে তাদের নির্ধারিত শুনানি স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন (Rahul Gandhi SC)
শুনানিকালে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রশ্ন তোলে। এডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু দাবি করেন যে অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর, কিন্তু বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানতে চান, “অভিযোগ যদি এতই গুরুতর হয়, তবে আপনাদের সংস্থা এতদিন চুপ করে ছিল কেন? কোনও স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি কেন?”
কপিল সিব্বলের যুক্তি ও আবেদনকারীর বিরোধিতা (Rahul Gandhi SC)
রাহুল গান্ধীর পক্ষে বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল সওয়াল করেন যে, এই মামলাটি একেবারেই আইনি ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি আবেদনকারী বিঘ্নেশ শিশিরের ‘লোকাস স্ট্যান্ডাই’ বা অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে এটিকে একটি “ডাইনি শিকার” বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়া বলে ব্যাখ্যা করেন।
অন্যদিকে, ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে আবেদনকারী শিশির দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ এফআইআর-পূর্ববর্তী (Pre-FIR) পর্যায়ের বিষয়, যেখানে আসামির বক্তব্য শোনার কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।
আরও পড়ুন: BJP Social Media: বিজেপির মালব্য যুগের অবসান: নতুন সোশাল মিডিয়া কনভেনার দীপক মাসকে
এর আগে ২০ জুলাই এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ CBI-এর জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাদের নতুন হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল(Rahul Gandhi SC)। তবে সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান স্থগিতাদেশের পর এই মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন চর্চা শুরু হয়েছে।



