Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান কেলেঙ্কারির তদন্তে প্রতিদিনই সামনে আসছে নতুন তথ্য(Ram Mandir Donation)। অভিযোগ ওঠার পর উত্তরপ্রদেশ সরকার তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। ইতিমধ্যে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের দুই সদস্য পদত্যাগ করেছেন।
টাকা লুকোনো হত শৌচাগারে!
সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব প্রথম প্রকাশ্যে দাবি করেন, মন্দিরের অনুদানের কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়েছে। পরে প্রাক্তন বিধায়ক পবন পাণ্ডে অভিযোগ করেন, প্রায় ৭-৭.৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।
তদন্তে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নুর কাছে অনুদান গণনার কক্ষের চাবি ছিল। অভিযোগ, একাধিক ব্যক্তি মিলে পরিকল্পিতভাবে টাকা সরাতেন। একজন নগদ অর্থ নিতেন, অন্যরা তাঁকে আড়াল করতেন। সিসিটিভি ক্যামেরার অবস্থান সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা থাকায় নজর এড়িয়ে তারা মন্দির চত্বরে থাকা শৌচাগারে টাকা লুকিয়ে রাখত। তদন্তে আরও জানা গেছে, কুম্ভ মেলার সময়ও বিপুল পরিমাণ অনুদান চুরি হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় রাম মন্দিরের অনুদান সংগ্রহ ও গণনার পদ্ধতিও আলোচনায় এসেছে। মন্দিরে ৪০-৫০টি দানবাক্স রয়েছে। বড় অঙ্কের অর্থ বা মূল্যবান গয়না সরাসরি ট্রাস্টের অফিসে জমা দিয়ে রসিদ নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অনুদান গণনার দায়িত্ব স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (SBI)-র। ব্যাংক কর্মী, একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং ট্রাস্টের সদস্যরা দিনে দু’বার অনুদান গণনা করেন। পরে সেই অর্থ ব্যাংকে জমা পড়ে ট্রাস্টের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে(Ram Mandir Donation)।
আরও পড়ুন: Ban Lifted : মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেল ৪ ভারতীয় সংস্থা, স্বস্তিতে নয়াদিল্লি
ভারতের অন্যান্য মন্দিরে অনুদান ব্যবস্থাপনা ভিন্ন। কোথাও পুরোহিত পরিবার, কোথাও মহন্ত, আবার কোথাও সরকার-নিযুক্ত ট্রাস্ট মন্দির পরিচালনা করে। রাম মন্দির কেলেঙ্কারির তদন্ত এখনও চলছে(Ram Mandir Donation)। আর কারা জড়িত এবং কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে, তা জানতে তদন্তকারীরা আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির খোঁজখবরও খতিয়ে দেখছেন।



