Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজকের সমাজে “না” বলা যেন অপরাধ, আর “হ্যাঁ” বলা গুণ। আমরা সম্পর্ক, কাজ আর পরিবারের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে শিখেছি। কিন্তু মনোবিজ্ঞানী, কোচ ও নিউরোসায়েন্টিস্টরা একমত সুস্থ সীমারেখা বা বাউন্ডারি তৈরি করা আসলে নিজের ও অন্যের প্রতি সবচেয়ে বড় ভালবাসার পরিচয়(Relation Boundaries)।
সম্পর্কে সীমারেখার গুরুত্ব (Relation Boundaries)
বাউন্ডারি মানে দেয়াল নয়, বরং সম্পর্কের অদৃশ্য কাঠামো। এটি এমন কিছু নিয়ম, যা দুইজন মানুষকে আলাদা সত্তা হিসেবে টিকে থাকতে সাহায্য করে। এই সীমারেখা না থাকলে ধীরে ধীরে জন্ম নেয় ক্ষোভ, ক্লান্তি এবং নিজের সত্তা হারানোর অনুভূতি।
সেলেনা গোমেজই উদাহরণ
পপ তারকা সেলেনা গোমেজের জীবন এই শিক্ষার বাস্তব উদাহরণ। দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের পর তিনি নিজের জন্য সময় নেন, থেরাপি শুরু করেন, এমনকি কেরিয়ারের ব্যস্ততাও কমান। আজ তার দাম্পত্যে খোলামেলা যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মান যেখানে প্রয়োজন হলে তিনি স্পষ্টভাবে ‘স্পেস’ চান, আর তার সঙ্গী তা মেনে নেন।
সীমারেখার অভাবের মূল্য কম নয়
সীমারেখার অভাবের মূল্যও কম নয়। সব সময় অন্যের চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানুষ নিজের প্রয়োজন ভুলে যায়। এর ফলেই আসে বার্নআউট, উদ্বেগ ও মানসিক ক্লান্তি। শরীরেও পড়ে প্রভাব ঘুমের সমস্যা, মনোযোগের ঘাটতি, বাড়তি স্ট্রেস।
সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবোধের প্রাধান্য (Relation Boundaries)
সম্প্রতি Love Is Blind শো-তে সারা কার্টন ও ভার্জিনিয়া মিলারের সিদ্ধান্ত এই বিষয়টিকে সামনে আনে। তারা সম্পর্কের চেয়ে নিজের মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেন। এটিই “ভ্যালু-বেসড বাউন্ডারি” যেখানে বিশ্বাস ও নীতির সঙ্গে আপস করা যায় না।
আরও পড়ুন: Trump Passport: পাসপোর্টেও ট্রাম্পের ছবি! প্রেসিডেন্টের সেলফ লাভে বিতর্ক মার্কিন মুলুকে
সীমারেখা রাখতেই হবে (Relation Boundaries)
বিশেষজ্ঞরা বলেন, “আমি অনুভব করি” দিয়ে কথা শুরু করা উচিত। এতে অভিযোগ কমে, বোঝাপড়া বাড়ে। তবে সবচেয়ে বড় বাধা হলো অপরাধবোধ। অনেকেই মনে করেন ‘না’ বলা মানে কাউকে হতাশ করা। কিন্তু বাস্তবতা হল, সুস্থ সীমারেখা মানুষকে আরও ভাল সঙ্গী করে তোলে।
শেষ পর্যন্ত, বাউন্ডারি সম্পর্ককে ভাঙে না বরং টিকিয়ে রাখে।



