Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার সন্ধ্যায় সল্টলেক সেক্টর–২-এর হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল ভবনে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা (SaltLake)। সংস্থার এক মহিলা কর্মী বহুতল ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

কে এই মহিলা কর্মী? (SaltLake)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম ইমন রায় (৩৮)। তিনি দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরের রিজেন্ট পার্ক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। সম্প্রতি তিনি হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১ তারিখেই তিনি ওই সংস্থায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন। অর্থাৎ চাকরিতে যোগদানের এক মাসও পূর্ণ হওয়ার আগেই তাঁর এই মর্মান্তিক মৃত্যু নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল? (SaltLake)
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আচমকাই বহুতল ভবন থেকে এক মহিলা নিচে পড়ে যান। ঘটনাটি নজরে আসতেই অফিসের কর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষীরা ছুটে আসেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

তদন্তে নেমেছে পুলিশ (SaltLake)
এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। কী কারণে ইমন রায় এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছে এবং ঘটনার আগে তাঁর গতিবিধি, কর্মস্থলের পরিস্থিতি ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় খতিয়ে দেখছে। প্রয়োজনে সিসিটিভি ফুটেজও পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
রহস্য ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন
মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে নতুন কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ইমন রায়। সেই অবস্থায় এমন একটি ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। কর্মক্ষেত্র, ব্যক্তিগত জীবন কিংবা অন্য কোনও কারণ এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনই কোনও নিশ্চিত মন্তব্য করতে চাইছে না পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিকই খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন : Taratala Compensation: মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায়
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনও বিষয় জড়িত রয়েছে কি না, তাও তদন্তে উঠে আসবে। আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ।



