Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হারের ব্যবধান ৩২ লক্ষ। বিধানসভা নির্বাচনে এসআইআর-এর প্রভাব পড়েছে। ইলেকশন পিটিশন দায়ের করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন (আইএ) দায়ের করার পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের(SC IA)।
সুপ্রিম কোর্টে দাবি কল্যাণের (SC IA)
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির থেকে ৩২ লক্ষ ভোট কম পেয়ে হেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ ৩৫ লক্ষ ভোটারের আবেদন বিচারাধীন রয়েছে ট্রাইব্যুনালে। তার প্রভাব নির্বাচনের ফলাফলে পড়েছে বলে সোমবার এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন করতে নির্দেশ
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করার আবেদন জানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জবাবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিল, ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন (আইএ) করতে হবে।
হিসেব দাখিল কল্য়াণের(SC IA)
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ২ কোটি ৯২ লক্ষেরও বেশি ভোট পেয়ে প্রথমবার রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তারা পেয়েছে ২০৭ টি আসন। উল্টোদিকে, তৃণমূল পেয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষের কিছু বেশি ভোট। মাত্র ৮০ টি আসন জিতে ক্ষমতা হারিয়েছে তারা। সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে সেই হিসেব দেখিয়েই তৃণমূলের আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, ‘৩১টি এমন আসন আছে যেখানে যে পরিমাণ নাম এসআইআর-এ বাদ পড়েছে বা বিবেচনাধীন রয়েছে, সেখানে হার-জিতের ব্যবধানও সেই পরিমাণ। একটি আসনে ৮৬২ ভোটে হারতে হয়েছে। সেই বিধানসভায় ৫ হাজার নাম বাদ পড়েছে।’
ইলেকশন পিটিশন দাখিলে সম্মতি (SC IA)
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইলেকশন পিটিশন দাখিলে সম্মতি জানিয়েছেন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি আইএ ফাইল করুন। কমিশনের আইনজীবী তাদের যা বলার বলবেন। আমরা খতিয়ে দেখে নির্দেশ দেব।’
আরও পড়ুন: Modi Request: পশ্চিম এশিয়া সংকট: আতঙ্ক নয়, দায়িত্বশীল ব্যবহারের বার্তা মোদির, জানাল কেন্দ্র
ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন (SC IA)
শুনানিতে ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘যে সমস্ত নাম বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত শেষ না করলে অসুবিধা হবে। সামনের বছরই পৌরসভা নির্বাচন রয়েছে, তারপর পঞ্চায়েত নির্বাচন রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের কাজ দ্রুত শেষ না হলে সেই সমস্ত নির্বাচনে তার প্রভাব পড়বে।’
তৃণমূলের আরেক আইনজীবী তথা সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী আদালতে অভিযোগ করেন ট্রাইব্যুনালের কাজ যেভাবে চলছে, তাতে গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে চার বছর সময় লেগে যাবে! তার জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, কত দিনে ট্রাইব্যুনালের কাজ শেষ হবে, তা বোঝার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির রিপোর্ট প্রয়োজন।



