Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমার শুভ তিথিতে দেশজুড়ে পালিত (Snanyatra 2026) হচ্ছে মহাপ্রভু জগন্নাথ দেবের পবিত্র স্নানযাত্রা। সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ দিনেই ভক্তদের মাঝে দারুবিগ্রহ রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও দেবী সুভদ্রা। তাই স্নানযাত্রার দিনটি ভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও শুভ বলে মনে করা হয়।
১০৮ বার স্নান (Snanyatra 2026)
এই উৎসবে বিশেষ নিয়ম মেনে তিন বিগ্রহকে ১০৮টি (Snanyatra 2026) কলসের জল দিয়ে স্নান করানো হয়। গঙ্গাজল, ডাবের জল, বিভিন্ন ফলের রস, চন্দন ও ভেষজ উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই পবিত্র স্নানের জল। স্নানপর্বের পর মহাপ্রভুকে সাজানো হয় বিশেষ গজবেশে।
অনবসর পর্ব
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, স্নানযাত্রার পর প্রভু অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শুরু হয় ‘অনবসর’ পর্ব। এই সময়ে প্রায় ১৫ দিন ভক্তদের দর্শন থেকে দূরে থাকেন জগন্নাথ দেব। রাজবৈদ্য আয়ুর্বেদিক পাচন দেন এবং ফুলুরি তেল ও ওষুধি দিয়ে সুস্থ করে তোলা হয়। এই নিভৃতবাস শেষ হওয়ার পর নবযৌবন রূপে ভক্তদের সামনে আবির্ভাব ঘটে তাঁর। এরপরই শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার প্রস্তুতি।
আরও পড়ুন: Tirumala Anant Ambani: তিরুমালা মন্দিরে পুজো দিলেন মুকেশ পুত্র, ২৭.৫ কোটি করলেন দান
পুরীর জগন্নাথ মন্দির ছাড়াও বাংলার মাহেশ, মায়াপুর, কলকাতার ইসকন মন্দিরসহ বিভিন্ন জায়গায় উৎসাহ ও ভক্তির সঙ্গে পালিত হচ্ছে এই উৎসব। মন্দিরগুলিতে সকাল থেকেই ভক্তিগীতি, আরতি ও সংকীর্তনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পরিবেশ। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, স্নানযাত্রার দিনে পরিষ্কার পোশাক পরে পুজো করা, ভক্তিভরে প্রভুর আরাধনা করা এবং তুলসী নিবেদন করা শুভ বলে মনে করা হয়। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, এই পবিত্র দিনে জগন্নাথ দেবের কৃপা সংসারে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।


