Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেবযানী সরকার: তৃণমূল কংগ্রেসের (Subhankar Sarkar Congress) অন্দরে এখন তুমুল টানাপোড়েন। তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। এই অবস্থায় রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরতে পারে কংগ্রেসে। সর্বভারতীয় কংগ্রেসে বড় পদে আসীন হতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জল্পনা কতটা সত্যি?
সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক শিল্প (Subhankar Sarkar Congress)
এই সম্পর্কে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার (Subhankar Sarkar Congress) বললেন, “এবারের নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে নতুন সম্ভাবনাময় শিল্প দেখতে পাচ্ছি, এই ক্ষেত্রে এটা এখন শুধু আলোচনার বিষয়। ইডি, সিবিআই রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্র পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সেই ওয়াশিং মেশিন যারা খুঁজছেন তা কিন্তু কংগ্রেসের কাছে নেই। রাহুল গান্ধীকে যারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নেবেন, কংগ্রেসের নীতি আদর্শকে যারা মেনে নেবেন, যারা ভয় পাবেন না, যাদের দম আছে, তাদের জন্যই কংগ্রেসের দরজা খোলা।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী পার্টিলাইন যা ঠিক হবে সেখানেই কর্মীরা তাদের সবকথা জানতে পারবেন। কর্মীদের আকাঙ্খা, উদ্দীপনা, চাহিদাকে সবসময় কংগ্রেস মান্যতা দিয়েছে। আলোচনা চলছে। তার নির্যাস কি হবে তা আগামীদিনে জানা যাবে।”
দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের কংগ্রেসে জায়গা? (Subhankar Sarkar Congress)
দুর্নীতিতে যারা অভিযুক্ত তাদের কংগ্রেসে কোনও জায়গা (Subhankar Sarkar Congress) নেই। কিন্তু তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাদের কংগ্রেসে কিভাবে জায়গা দেওয়া হবে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি এই বিষয়ে কোনও কিছু বলার জায়গাতেই নেই। আমাদের পার্টির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যেই, র্যাঙ্ক এন্ড ফাইলের মধ্যেই ব্যবস্থা গৃহীত হয়।”
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতাকে সোনিয়া গান্ধীর আলিঙ্গন, পাশে বসানো, এগুলো কিসের ইঙ্গিত তবে?
“যেকোনও মানুষের দেখা হলে করমর্দন, আলিঙ্গন, হাসির বিনিময় হতেই পারে। এটা ভারতের সনাতন ঐতিহ্যের অঙ্গ।”
২৭ লক্ষ ভোটারের কি হবে? ৬ লক্ষ যে নতুন ভোটার তাদের ভবিষ্যৎ কি? এই নিয়ে আমরা চিন্তিত। আমরা চিন্তিত এলপিজি, পেট্রল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে।
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত নেত্রীর প্রয়োজন আছে?
“আমাদের কাছে কর্মী সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো এতদিন কংগ্রেসে ছিলেন না। কংগ্রেস কি লড়াই করেনি? কংগ্রেস তো প্রতিদিন লড়াই করে গেছে। সবসময় সবজায়গায় অক্সিজেনের জন্য দরজা খোলা রাখতে হয়। দরজা বন্ধ রাখলে খারাপ বাতাস যেমন আসবে না, তেমন অক্সিজেনও আসবে না। আগামীদিনে কথা বলবে।”
আরও পড়ুন: Trinamool Congress: পুরনো মামলায় ফের আইনি বিপাকে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেতৃত্ব
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি কংগ্রেসে আসে, সেটা বাংলার কংগ্রেস কর্মীদের জন্য অক্সিজেন হবে?
“আগামী দিনই কথা বলবে। দলের ভেতরে গণতন্ত্র আছে। এবার রাজনৈতিক পরিসরে অনেক কথা উঠে আসে। তার পরিণতি কি হবে সেটা আগামীদিনে মানুষ দেখতে পারবে, বুঝতে পারবে।”
বিদ্রোহী তৃণমূল সম্পর্কে, “পার্লামেন্টের সাংসদরা আইন তৈরী করে। আর তারাই আইনের বিভিন্ন ধারা-উপধারার মধ্যে দিয়ে নিজেদের পদস্খলনকে রুখতে বিভিন্ন নীতি আদর্শের বুলি তারা আওড়াচ্ছেন। এটা বিজেপিই এনেছে। এটা হলে আগামী প্রজন্ম কী দেখবে? পার্কস্ট্রীট, আরজি কর কাণ্ডে কেন সোচ্চার হননি মহিলারা? এগুলোকে বাহবা দিচ্ছে বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসক দল।”


