Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৬-২৭ সালে সম্ভাব্য “সুপার” এল নিনো নিয়ে ইতিমধ্যেই শিরোনাম দখল করেছে সংবাদমাধ্যম। ২০২৬ সালের শুরুতেই বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত পেয়েছেন। সমুদ্রের নীচে জমা হওয়া তাপ ও বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তন মিলিয়ে শক্তিশালী এল নিনোর সম্ভাবনা বাড়ছে।
ভারতে গ্রীষ্ম ইতিমধ্যেই তীব্র (Super El Nino)
ভারতের গ্রীষ্ম ইতিমধ্যেই তীব্র। উত্তরপ্রদেশের বান্দায় ২৫ এপ্রিল তাপমাত্রা ৪৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। দেশের বহু জায়গায় ৪০-৪৫ ডিগ্রির মধ্যে তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে। ফলে আশঙ্কা বাড়ছে এবার কি বর্ষা দুর্বল হবে?
বিষয়টি সরল নয়
তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিষয়টি এত সরল নয়। আইআইটি খড়গপুরের প্রিথা দত্তর মতে, “সুপার এল নিনো মানেই ভয়াবহ খরা বা ফসলের ক্ষতি—এমনটা নিশ্চিত নয়।” ইতিহাসও সেই কথাই বলে। ১৯৫০ সালের পর ১৬টি এল নিনো বছরে মাত্র ৭টিতে স্বাভাবিকের নিচে বর্ষা হয়েছে ভারতে।
শক্তিশালী এল নিনোতেও স্বাভাবিক বর্ষা
এমনকি শক্তিশালী এল নিনো বছরেও ফল ভিন্ন। ১৯৯৭ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সময় ভারত স্বাভাবিক বর্ষা পেয়েছিল। কারণ, সেই সময়ে শক্তিশালী পজিটিভ ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোল (IOD) এল নিনোর প্রভাবকে সামাল দেয়।
এল নিনোর প্রভাবও এখন সমান নয় (Super El Nino)
বর্ষা নির্ভর করে একাধিক উপাদানের উপর IOD, সোমালি জেট বায়ুপ্রবাহ, ম্যাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন (MJO), বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ ইত্যাদি। এগুলো মিলেই ঠিক করে কোথায় কত বৃষ্টি হবে। গবেষণা বলছে, এল নিনোর প্রভাবও এখন সমান নয়। দক্ষিণ ভারতে স্থিতিশীল থাকলেও উত্তর ভারতে প্রভাব বেড়েছে, আর মধ্য ভারতে কমেছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: “বিজেপির ইশারায় নাচছেন পুলিশ পর্যবেক্ষকরা” বললেন মমতা
এখনও নিশ্চিত নয় (Super El Nino)
২০২৬ সালে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ শুধু “সুপার” ট্যাগে নয়, স্থানীয় আবহাওয়া ও স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাসে নজর দিন। কারণ শেষ পর্যন্ত বর্ষার বাস্তব চিত্রই ঠিক করে দেবে ভারতের কৃষি ও অর্থনীতির ভবিষ্যৎ।



