Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুণের লোহাগড় দুর্গে কেতন আগরওয়ালের রহস্যমৃত্যু মামলায় সামনে এসেছে নতুন তথ্য। তদন্ত সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত ২০ বছরের সিয়া গোয়েল নাকি প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে বাগদানের আগেই গোপনে বিয়ে করেছিলেন(Pune Murder)। এই তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে নেমেছে পুণে গ্রামীণ পুলিশ।
চার মাস আগেই প্রেমিককে বিয়ে সিয়ার! (Pune Murder)
সূত্রের দাবি, প্রায় চার মাস আগে স্থানীয় একটি রেজিস্ট্রার অফিসে বিশেষ বিবাহ আইন (Special Marriage Act)-এর অধীনে সিয়া ও চেতন বিয়ে করেন। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, ওই বিয়ের কোনও বৈধ শংসাপত্র (Marriage Certificate) রয়েছে কি না। যদি তা সত্যি হয়, তাহলে ফেব্রুয়ারিতে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বাগদান নিয়ে নতুন আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, সিয়ার কলেজের দুই বন্ধু ওই বিয়ের সাক্ষী হিসেবে সই করেছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা একটি ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে মুছে ফেলা ছবি উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ, সেই ছবিগুলিতে সিয়া ও চেতনকে বিয়ের মালা পরে দেখা গিয়েছিল।
পুলিশের সন্দেহ, সিয়ার হবু শ্বশুরবাড়ি উদয়পুরে নির্ধারিত গন্তব্য-বিয়ের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় নথি চাইতেই পরিকল্পনাটি তড়িঘড়ি কার্যকর করা হয়। তদন্তকারীরা চেতন চৌধুরীর ব্যাঙ্ক লেনদেনও খতিয়ে দেখছেন। অভিযোগ, বাধ্যতামূলক জনসাধারণের নোটিস এড়িয়ে দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করতে কোনও মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে(Pune Murder)।
বর্তমানে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী দু’জনেই বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: SBI Manager: ভাইরাল SBI ম্যানেজারের ফর্ম ১৬: সত্যিই কি বছরে ৩৫ লক্ষ টাকা বেতন?
উল্লেখ্য, পুণের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে পরিবারের উদ্যোগে সিয়ার পরিচয় হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের বাগদান সম্পন্ন হয়। আগামী নভেম্বর মাসে উদয়পুরে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়েরও পরিকল্পনা ছিল(Pune Murder)। কিন্তু ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন পড়ে মারা যান। পুলিশের অভিযোগ, এটি দুর্ঘটনা নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তদন্তকারীদের দাবি, সিয়া ও কেতন দুর্গে যাওয়ার পর চেতন তাঁদের অনুসরণ করেছিলেন এবং সেখানেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটানো হয়। মামলার তদন্ত এখনও চলছে এবং পুলিশ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছে।



