Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটের নির্ঘণ্ট মেনে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে কার্যত রাজনৈতিক উত্তাপের কেন্দ্র হয়ে উঠল দক্ষিণ কলকাতার হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর (Krishna Kalyani)। ক্যামাক স্ট্রিটে আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সভার মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠেন রায়গঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণীর জোরালো ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য।

উন্নয়ন-পাঁচালি তুলে ধরে ভোটের বার্তা (Krishna Kalyani)
মঞ্চ থেকে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন কৃষ্ণ কল্যাণী। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বাংলার মানুষের জন্য শতাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছেন। বিশেষভাবে তিনি উল্লেখ করেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কথা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প এবং অন্যান্য ভাতার মাধ্যমে বহু পরিবার মাসিক ৯০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনেছে।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে তোপ (Krishna Kalyani)
কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করে কৃষ্ণ কল্যাণী প্রশ্ন তোলেন, বাংলার রাজস্বের বড় অংশ কেন্দ্রীয় কর হিসেবে দিলেও রাজ্য যথাযথ ফিরতি সুবিধা পাচ্ছে না। তিনি বলেন, “বাংলার ৮৩ শতাংশ ট্যাক্স দিলেও কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যের উন্নয়নে কী দিয়েছে?” এই প্রশ্ন তুলে তিনি কেন্দ্রের বঞ্চনার অভিযোগ আরও জোরালো করেন।

বিজেপির নীতির বিরুদ্ধে পাল্টা চ্যালেঞ্জ (Krishna Kalyani)
শুধু অর্থনৈতিক ইস্যুই নয়, রাজনৈতিক আক্রমণও শানিত হয় এদিনের মঞ্চ থেকে। বিজেপির হিন্দুত্ব রাজনীতি ও বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ করেন কৃষ্ণ কল্যাণী। পহেলগাঁও ইস্যু থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান—সব ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করে, কিন্তু তৃণমূল উন্নয়নকে হাতিয়ার করে মানুষের পাশে থাকে।
আরও পড়ুন: Narendra Modi: ঠাকুরনগরের সভা থেকে মেসিকাণ্ডের জন্য মুখ খুললেন মোদি
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও জনকল্যাণের রাজনীতি
২০২১ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের উদাহরণ হিসেবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গও উঠে আসে বক্তব্যে। কৃষ্ণ কল্যাণীর দাবি, তৃণমূল যা বলে, তা বাস্তবায়ন করে দেখায় এটাই তাদের রাজনীতির মূল ভিত্তি।



