Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার লোকসভায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘বন্দে মাতরম’–এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা (Samsad on Sunday)। বিজ়নেস অ্যাডভাইজ়রি কমিটির (বিএসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অন্তত ১০ ঘণ্টা ধরে চলবে এই আলোচনা। অথচ এই সাংসদীয় অধিবেশন ঘিরেই নতুন করে তীব্র হচ্ছে কেন্দ্র–বিরোধী সংঘাত। বিশেষ করে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন বা ‘সার’ প্রসঙ্গে বিরোধীদের অভিযোগ বেড়ে চলেছে।

বিরোধীদের কটাক্ষ (Samsad on Sunday)
বিএসি বৈঠকে ঠিক হয়েছিল ‘সার’ নিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভা দুই কক্ষেই ১০ ঘণ্টা করে আলোচনা হবে। কিন্তু শনিবার বিকেল পর্যন্ত সংসদীয় সচিবালয় বা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সেই নির্ঘণ্ট জানানো হয়নি। এ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দুই ডেপুটি লিডার শতাব্দী রায় ও সাগরিকা ঘোষ বলেন, “এসআইআর কিংবা সার দুটো বিষয়েই মোদী সরকারকে সংসদে দাঁড়িয়ে উত্তর দিতে হবে। বিরোধীদের প্রশ্নের ভয়েই সরকার আলোচনা এড়াতে চাইছে।”
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সরব প্রতিবাদ (Samsad on Sunday)
এই দিন দিল্লিতে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল কংগ্রেস শুধু ‘সার’ বিতর্কই নয়, আরও একাধিক বিষয় নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে। একশো দিনের কাজের টাকা–সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বকেয়া তৃণমূল নেত্রীদের অভিযোগ বাংলার প্রাপ্য বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা এখনও আটকে রেখেছে কেন্দ্র। “একশো দিনের কাজ, গৃহ নির্মাণ, রাস্তা–সহ বহু প্রকল্পে কেন্দ্র বকেয়া রেখে দিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলার সাধারণ মানুষ।” তৃণমূলের দাবি, এভাবে রাজ্যের উপর আর্থিক চাপ তৈরি করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে কেন্দ্র।

‘হুমায়ুন কবীর’ বিতর্কে তৃণমূলের অবস্থান (Samsad on Sunday)
ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে প্রশ্ন উঠতেই তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী ও সাগরিকা সাফ জানিয়ে দেন,
“তিনি ইতিমধ্যেই সাসপেন্ডেড। তিনি এখন আর আমাদের দলের নন।” এর মাধ্যমে তৃণমূল স্পষ্ট করতে চেয়েছে যে বিতর্কিত কোনও নেতার দায় তারা নিতে নারাজ।

আরও পড়ুন: Humayun Kabir: হুমায়ুন কবিরের বাবরি মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট
সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে সংসদ
লোকসভায় ‘বন্দে মাতরম’–এর ১৫০ বছর নিয়ে আলোচনা নিছক সাংস্কৃতিক গুরুত্বের হলেও, তার আড়ালে জমে উঠছে এক বড় রাজনৈতিক লড়াই। এমন দিনে বিরোধীরা ‘সার’, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বকেয়া ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারকে চেপে ধরতে প্রস্তুত। সরকার আলোচনায় কতটা সাড়া দেয়, বিরোধীদের প্রশ্ন কতটা তীক্ষ্ণ হয় সোমবারের সংসদ অধিবেশন তাই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।



