Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দীর্ঘদিন ধরেই টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় নানা সমস্যা ও অচলাবস্থার অভিযোগ উঠেছে (Tollywood Election)। কখনও বকেয়া পারিশ্রমিক নিয়ে ক্ষোভ, কখনও পরিচালক ও কলাকুশলীদের মধ্যে মতপার্থক্য—বিভিন্ন কারণে শুটিং বন্ধ হওয়া থেকে শুরু করে ‘ব্যান সংস্কৃতি’ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ইম্পা, ফেডারেশনের মতো সংগঠনগুলির অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ নিয়েও বিগত সময়ে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে।

মিঠুনের হুঁশিয়ারির পর ভোটের পথে টলিউড (Tollywood Election)
এই পরিস্থিতির বদল ঘটাতে মাস দুয়েক আগেই সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে টলিউডের ‘নর্দমা সাফ’ করার বার্তা দিয়েছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সেই ঘোষণার পর এবার বাস্তবেই নির্বাচনের পথে হাঁটল টলিপাড়া। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই প্রথম টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় শুরু হল গিল্ড নির্বাচন।
২৬টি গিল্ডে দু’দিনের নির্বাচনী লড়াই (Tollywood Election)
৩১ অক্টোবর, শনিবার থেকে টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় শুরু হয়েছে ২৬টি গিল্ডের দু’দিনের নির্বাচন। বিভিন্ন গিল্ডের নতুন সভাপতি ও নেতৃত্ব বেছে নিতেই এই ভোটপর্ব। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ চলছে। ফলে শুধু প্রার্থীদের মধ্যেই নয়, গোটা স্টুডিওপাড়াতেই তৈরি হয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।
বাইরে চেয়ারে বসেই নজরদারি মিঠুনের (Tollywood Election)
নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে সকাল থেকেই টেকনিশিয়ান স্টুডিওর বাইরে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায় মিঠুন চক্রবর্তীকে। কেন তিনি ভিতরে না গিয়ে বাইরে বসে রয়েছেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে তাঁর বক্তব্য, ভোটার ছাড়া আর কেউ যেন ভিতরে প্রবেশ না করেন—সেই নিয়ম তিনিই করেছিলেন। তাই দায়িত্ব পালন করতে বাইরে থেকেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন(Tollywood Election)।
‘এবার এসএমএসে নয়, নিয়ম মেনে ভোট’ (Tollywood Election)
মিঠুনের দাবি, অতীতে এসএমএসের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। এবার সেই পদ্ধতির পরিবর্তে শ্রম কমিশনের নিয়ম মেনেই নির্বাচন হচ্ছে। তাঁর কথায়, দীর্ঘদিন টলিউডে একনায়কতন্ত্র চলেছে এবং তার জেরে অনেকেই কাজ করতে চাইতেন না। নির্বাচন শেষ হলে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে বলেই আশাবাদী তিনি।
আরও পড়ুন: North Bengal: ভুটানের বিপর্যয়ের প্রভাব সংকোশে, মরা মাছ ঘিরে আতঙ্ক
নতুন নেতৃত্বে কি বদলাবে টলিপাড়ার ভবিষ্যৎ?
পরিচালকদের উৎসাহ দিতে মিঠুন জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার ছবির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ ভরতুকি দিচ্ছে। ফলে নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে টলিউডে কাজের পরিবেশ আরও সক্রিয় হবে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। পালাবদলের পর প্রথম এই নির্বাচন ঘিরে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষও নিজের মত জানিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ২৬টি গিল্ডে কারা দায়িত্ব পান এবং তাঁদের নেতৃত্বে টলিপাড়ার পুরনো অচলাবস্থা কতটা কাটে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা সিনেপাড়া।



