Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) ১৬ জুন ঘোষণা করেছে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক কমান্ডের নাম ফের ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড করা হচ্ছে(US Command)। ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসন এর নাম বদলে ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড করেছিল।
শুধুই নাম পরিবর্তন? (US Command)
পেন্টাগনের দাবি, এটি শুধুই নাম পরিবর্তন। কমান্ডের দায়িত্ব, ভৌগোলিক এলাকা বা সামরিক অগ্রাধিকার অপরিবর্তিত থাকছে। হাওয়াই-ভিত্তিক এই কমান্ড এখনও মার্কিন পশ্চিম উপকূল থেকে শুরু করে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের পশ্চিম সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের দায়িত্বে থাকবে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ নাম?
২০১৮ সালে নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন বোঝাতে চেয়েছিল যে ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের নিরাপত্তা এখন পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সেই সিদ্ধান্তকে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধির স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হয়েছিল।
‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ ধারণা ভারতের ভূমিকাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সামুদ্রিক যোগাযোগ এবং চীনের প্রভাব মোকাবিলার আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। ফলে নতুন সিদ্ধান্তে ‘ইন্দো’ শব্দ বাদ যাওয়ায় অনেকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, ভারতের গুরুত্ব কি কমছে?
ভারতের উদ্বেগ কোথায়?
কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর এক্সে মন্তব্য করেছেন, “কোয়াডের কফিনে আরেকটি পেরেক?” যদিও মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে ভারত-আমেরিকা প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।
কোয়াড কি দুর্বল হচ্ছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। কোয়াড (ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া) শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তি, সাপ্লাই চেইন, সাইবার নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো উন্নয়নেও এই জোট সক্রিয়(US Command)।
আরও পড়ুন: Defence Growth: ৫ বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি: কীভাবে প্রতিরক্ষা রেকর্ড উৎপাদন ভারতের?
তবে সাম্প্রতিক বছরে কোয়াডের শীর্ষ বৈঠক অনিয়মিত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের কারণে জোটটির গতি কিছুটা কমেছে বলে ধারণা তৈরি হয়েছে(US Command)। তবুও, চীনের উত্থান এবং মুক্ত সমুদ্রপথ রক্ষার অভিন্ন স্বার্থ কোয়াডকে এখনও প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে।



