Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের বিরুদ্ধে এবার নজিরবিহীন এবং সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প(US Iran)। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি নিশ্চিত করেন, আলোচনা অচল হয়ে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এটি হতে যাচ্ছে যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক হামলা।
কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ঘোষণা (US Iran)
ট্রাম্প বলেন যে, ইরান সমঝোতায় আসার সুযোগ হাতছাড়া করেছে। এর পরিণতি হিসেবে দেশটিকে অভাবনীয় অর্থনৈতিক অবরোধ ও বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। একই সাথে, যেসব দেশ ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদেরও কঠিন ফলাফলের জন্য তৈরি থাকার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

এই পদক্ষেপের আওতায় ইরানকে সহায়তাকারী যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করেন যে তেল চোরাচালান, ক্যাশ ট্রান্সফার, এক্সচেঞ্জ হাউস এবং ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
এই অভিযানকে ট্রাম্প একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ (Economic D-Day) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইরানকে সম্পূর্ণ কোণঠাসা ও পরাস্ত করতে তিনি বিশ্বের সব মার্কিন মিত্রদেশকে একযোগে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এর আগেই মার্কিন বিমান ও নৌবাহিনীর জোরালো অভিযানে ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটনের হাতে অত্যন্ত কঠোর ও দমনমূলক অর্থনৈতিক বিধিনিষেধের উপায় রয়েছে। তবে একই সাথে প্রণোদনা হিসেবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতিও আবার দেন তিনি(US Iran)।
আরও পড়ুন: BD Prez Election:প্রায় সাড়ে তিন দশক পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা: দৌড়ে এগিয়ে কে?
চলমান উত্তেজনার মধ্যেও তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা রয়েছে বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন(US Iran)। অপরিশোধিত তেলের দাম প্রত্যাশিত মাত্রার চেয়ে অনেক কম রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক স্বপ্নকে সম্পূর্ণ ব্যর্থ করার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।



