Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যে আসন্ন প্রথম দফার নির্বাচনের আগে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে স্পর্শকাতর জেলাগুলি(Vote Arrest)।
নজিরবিহীন অভিযানে পুলিশ প্রশাসন (Vote Arrest)
নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশের পর গত রাতেই এক নজিরবিহীন অভিযানে নামল পুলিশ প্রশাসন। কোচবিহার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা চার জেলায় কার্যত চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে ১৩৫ জন পেশাদার সমাজবিরোধী।
অশান্তি রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’
ভোটের ময়দানে অশান্তি রুখতে শুরু থেকেই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি থানার রেকর্ড খতিয়ান ঘেঁটে এলাকায় এলাকায় চিহ্নিত করা হয়েছিল সেইসব ব্যক্তিদের, যাদের অপরাধের পুরনো রেকর্ড বা অসামাজিক কার্যকলাপের ইতিহাস রয়েছে। কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, নির্বাচনের আগে এই সমস্ত ব্যক্তিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করতে হবে। সেই নির্দেশের বাস্তবায়ন ঘটাতেই এই বিশেষ অভিযান।
জেলায় জেলায় সক্রিয় পুলিশ (Vote Arrest)
কোচবিহার সীমান্ত এলাকা ও স্পর্শকাতর বুথ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ তল্লাশি। মালদা অপরাধের পুরনো রেকর্ড থাকা ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি হানা। মুর্শিদাবাদ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সন্দেহভাজনদের দ্রুত আটক। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকারী সমাজবিরোধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারি।
আরও পড়ুন: Lalbazar Vote: ভোট সামলাতে লালবাজারের মেগা প্ল্যান! শহরে আসছে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
নির্বাচনের আগে ধরপাকড় (Vote Arrest)
সাধারণত নির্বাচনের আগে ধরপাকড় নিয়মিত ঘটনা হলেও, এক রাতে চার জেলা থেকে ১৩৫ জনের এই গণ-গ্রেফতারিকে ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পুলিশের এই অতি-সক্রিয়তা সাধারণ ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে সাহায্য করবে বলেই কমিশনের বিশ্বাস।



