Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আয়ারল্যান্ডে জন্ম হলেও ভারতের মাটি ও (Sister Nivedita) মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে এই দেশের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন ভগিনী নিবেদিতা। মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল, স্বামী বিবেকানন্দের সান্নিধ্যে এসে হয়ে উঠেছিলেন ভারতের শিক্ষা ও নারী জাগরণের অন্যতম নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তবে তাঁর কাজ শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ভারতের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাও তাঁর চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছিল।
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট অবস্থান (Sister Nivedita)
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান (Sister Nivedita) ছিল স্পষ্ট। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং বিপ্লবী মহলের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল। ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে গিয়ে তিনি এমন একটি প্রতীকের কথা কল্পনা করেছিলেন, যা দেশের মানুষের শক্তি, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের বার্তা বহন করবে।
জাতীয় পতাকার নকশা
১৯০৪ সালের দিকে নিবেদিতা একটি জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন। সেই পতাকায় ছিল দধীচি মুনির অস্থি থেকে তৈরি পৌরাণিক বজ্রের প্রতীক। প্রথমে লাল পটভূমিতে কালো বজ্রচিহ্ন ব্যবহার করা হলেও পরে রঙ পরিবর্তন করে হলুদ বজ্র আঁকার ভাবনা আসে। পতাকার সঙ্গে ‘বন্দেমাতরম’ কথাটিও যুক্ত ছিল বলে জানা যায়।
আরও পড়ুন: Nanibala Devi: ব্রিটিশের অত্যাচারেও নত হননি, ইতিহাসের বিস্মৃত অগ্নিকন্যা ননীবালা দেবী
নিবেদিতার কাছে বজ্র ছিল শুধুই একটি ধর্মীয় বা পৌরাণিক প্রতীক নয়; এটি ছিল শক্তি, ত্যাগ, সাহস এবং সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। তিনি চেয়েছিলেন ভারতীয় নারীরাও যেন আত্মবিশ্বাসী, দৃঢ় ও আত্মনির্ভর হয়ে ওঠেন।


