Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সপ্তাহর প্রথম দিনেই ব্যাপক চাপের মুখে ভারতীয় শেয়ার বাজার (Share Bazar)। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ার জেরে বিনিয়োগকারীরা এদিন শুরু থেকেই সতর্ক গিয়েছেন। এর ফলে শুক্রবারের পতনের পর নতুন সপ্তাহের শুরুতেও লাল চিহ্নেই লেনদেন শুরু হয়।
সেনসেক্স ও নিফটির প্রাথমিক সূচক (Share Bazar)
সোমবার দুর্বল সূচনার মাধ্যমে বাজার খোলে। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স গত বন্ধের স্তর ৭৮,০০৯.২৫-এর বিপরীতে ৭৭,৮৯২.৯২ পয়েন্টে খোলে। তবে ট্রেডিংয়ের শুরুর দিকেই তা আরও কমে ৭৭,৬৫৫.৬৪ পয়েন্টে নেমে আসে। একইভাবে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি সূচকও দুর্বল শুরু করে। এটি আগের বন্ধ হওয়া ২৪,৩৬৬ পয়েন্টের তুলনায় ২৪,৩৪৩.৪৫ পয়েন্টে খুলে পরবর্তীতে প্রায় ২৪,২৯৪.৬০ পয়েন্টে নেমে আসে। ব্রড মার্কেটের সমস্ত প্রধান সূচকই এদিন লাল নিশান বা পতনের মুখে লেনদেন করতে দেখা যায়।
আইটি ও পিএসইউ শেয়ারের উপর চাপ (Share Bazar)
সেক্টোরিয়াল স্তরে শুরুর দিকে নিফিটি আইটি এবং পিএসইউ সূচকগুলির ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ লক্ষ্য করা যায়, যেখানে ১ শতাংশের বেশি পতন নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে, কিছুটা বিপরীত চিত্রে অটো, ফার্মা, হেলথ কেয়ার এবং কেমিক্যাল সেক্টরের শেয়ারে সামান্য দেখা গিয়েছে।
শীর্ষ লাভকারী শেয়ারের তালিকা (Share Bazar)
এনএসই-তে এদিন ম্যাক্স হেলথ, টাইটান, এইচডিএফসি লাইফ, ওএনজিসি, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, বাজাজ অটো এবং এশিয়ান পেইন্টস-এর মতো শেয়ারগুলি লাভজনক অবস্থানে ছিল। পাশাপাশি বিএসই-তে ইটার্নাল, টাইটান, বিইএল এবং অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক প্রাথমিক লেনদেনের প্রধান লাভকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বিপাকে আইটি শেয়ার
এনএসই-তে উইপ্রো, এসবিআই, জেএসডব্লু স্টীল, আইটিসি, টেক মাহিন্দ্রা, টাটা স্টীল, আদানি পোর্টস এবং এনটিপিসি-র মতো শেয়ারগুলির কারণে বাজারে মন্দার চাপ তৈরি হয়। অন্যদিকে বিএসই-তে টিসিএস, এইচসিএল টেক, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, ইনফোসিস, বাজাজ ফাইনান্স, এল এন্ড টি, এসবিআই, মারুতি এবং পাওয়ার গ্রিড-এর শেয়ারগুলি পতনশীল তালিকায় ছিল।
আরও পড়ুন: Durand Fixture: ডুরান্ড কাপের সূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ দুই প্রধান
ক্রুড অয়েলের মূল্য বৃদ্ধি
কমোডিটি বাজারে (Share Bazar) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল প্রায় ৮৮.৮৮ ডলারে এবং ক্রুড অয়েল প্রায় ৮২.৪৫ ডলারের আশপাশে লেনদেন হচ্ছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রায় ৪,৩৯৩.৯২ ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানির এই চড়া দাম এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে।



