Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইন্ডিয়ান আর্মিকে ১-০ গোলে হারানোর পর আয়োজকদের (Durand Fixture) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ইস্টবেঙ্গল হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ডুরান্ড কমিটিকে সরাসরি ‘বোকা’ বলে আখ্যা দেন তিনি। দলের অনুশীলনের অপ্রতুল সময় এবং প্রতিযোগিতার ঠাসা সূচি নিয়ে প্রকাশ্যেই নিজের অসন্তোষ জাহির করেন এই অভিজ্ঞ কোচ। মাত্র একদিনের প্রস্তুতি সেরে বুধবার স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লির বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে নামবে লাল-হলুদ শিবির। হাবাসের স্পষ্ট বক্তব্য, “তিন দিনের ব্যবধানে সেমিফাইনাল, এইভাবে যে কোনও ভালো দলের পক্ষেই অসুবিধা হবে। এইভাবে ভারতীয় ফুটবল এগোবে না।”
শিলং যাত্রার চ্যালেঞ্জ সবুজ-মেরুন শিবিরে (Durand Fixture)
অন্যপ্ৰান্তে, ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সোমবার জামশেদপুর এফসির মুখোমুখি হতে চলেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। দাপটের সঙ্গে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক আউটে পৌঁছলেও টুর্নামেন্টের এই একপেশে ও ক্লান্তিকর সূচি নিয়ে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে সবুজ-মেরুন শিবিরেও। কোয়ার্টার ফাইনাল পার করে এই ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনাল খেলতে দলকে পাড়ি দিতে হবে সুদূর শিলংয়ে। সবমিলিয়ে মাত্র ৬ দিনের ব্যবধানে দলকে খেলতে হবে মোট তিনটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করেও কেন কাঙ্ক্ষিত হোম অ্যাডভান্টেজ বা বাড়তি সুবিধা মিলল না, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মোহনবাগান কোচ।
আরও পড়ুন: Mohun Bagan Durand: চিন্তায় মোহনবাগান ম্যানেজমেন্ট! কেন?
এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা (Durand Fixture)
টুর্নামেন্টের অপরিকল্পিত সময়সূচির (Durand Fixture) জেরে দুই প্রধান শিবিরের অন্দরেই এখন প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তবে এতকিছুর পরেও মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার কথাই বলছেন কোচেরা। মোহনবাগান কোচের কথায়, “আমি ফুটবলারদের গ্রুপ টপার হওয়া নিয়ে লাগাতার বলে গিয়েছি। কোনওরকম সুবিধা তো হবেই না, অন্য কোনও দলের থেকেও কম সুবিধা। ৬ দিনে তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে। এই সব পরিস্থিতির কথা ভেবেই আমি ক্ষুব্ধ। তবে আমরা মোহনবাগান, অসুবিধার কথা না ভেবে এগিয়ে যেতে হবে।” ফুটবলারদের ক্লান্তি ও চোট-আঘাতের ঝুঁকি সত্ত্বেও ডুরান্ডের নকআউট পর্বে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে মরিয়া কলকাতার দুই প্রধানই।



