Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাশ নস্কর,সল্টলেক: কিডনি পাচার চক্রে অভিযোগকারী (Kidney Scam) মঙ্গল মণ্ডল নাম এক ব্যক্তিকে বিধাননগর মহাকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতেই তার কাছে গিয়ে পৌঁছন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয় এবং তার কয়েকটি টেস্ট করা হয়।
এই বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, “একটা অভিযোগ এসেছিল আমাদের কাছে যে একটা কিডনি ফোর্সফুলি নেওয়া হয়েছে উইদাউট কনশনে। তার সঙ্গে কথাবার্তা বললাম। আজ থেকে প্রায় একমাস আগের ঘটনা, এখানকারই আরেকজন ব্যক্তি যার নাম প্রভাস মন্ডল উনি মঙ্গল মণ্ডলকে বলে এর থেকে আরও ভাল কাজ দেবে, অনেক টাকা মাইনে পাবে। এখান থেকে সোজা গিয়ে লুধিয়ানায় নামলো। সেখানে একটা হোটেলে রাখা হল সেখানে শাকিল বলে একজন লোকের সাথে কথা হলো ওদের সেখান থেকে শুধু হাসপাতালে ভর্তি হল। ওখানে যাওয়ার আগে একটা ব্লাড টেস্ট করিয়েছিল, আর একটা সিটি স্ক্যান করিয়েছিল এপোলো হাসপাতাল থেকে। সেগুলো এখান থেকে বেরোনোর আগেই করানো হয়েছিল।”
কিডনি চুরি না স্ব-ইচ্ছায় দান? (Kidney Scam)
এছাড়া তিনি বলেন, “এখান থেকে নিয়ে গিয়ে প্রথমে লুধিয়ানার (Kidney Scam) স্টেশনের কাছে একটি বাড়িতে রাখা হয় তারপরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে একটা ইনজেকশন দেওয়ার পরে সে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম থেকে ওঠার পরে দেখে তার সর্বত্র নল লাগানো রয়েছে। এর পরে নিজেই বুঝতে পারেন তার পেটে বড় একটা কাটার দাগ চার দিন পরে তাকে ছুটি করে দেওয়া হয় এরপরে তিনি ফিরে আসেন এখানে। এরপরে থানায় অভিযোগ দায়ের করে এরপরেই প্রভাস মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখানে রাখা হয়েছে চেকআপ করানোর জন্য যে কিডনি টা আছে কি নেই। প্রাইমারি ভাবে আলট্রাসনোগ্রাফি করে দেখা হয়েছে বাঁ দিকের কিডনি টা নেই। কিডনি চুড়ি না স্ব-ইচ্ছায় কিডনি দান পরবর্তীকালে পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে বিতর্ক এটা সংশয় এটা নিয়ে এখনই আলোকপাত করতে পারবো না। “
আরও পড়ুন: New Market Hotel Fire: নিউ মার্কেট হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার ১, আটক ২
তদন্তের দাবিতে তিনি বলেন, “যে গ্রেপ্তার হয়েছে তারও একটি কিডনি নেই। সঠিক তদন্ত হোক তারপরে সত্য ঘটনা কি ছিল সেটা জানতে পারবো। এখানে বিরাট বড় একটা কিডনি চক্র রয়েছে সেটা আগেও দেখেছি। মুখে যে দোকানে বলল যে ওকে বলা হয়েছিল সাড়ে তিন লক্ষ টাকা পাবে। এখানেই আমার সন্দেহ চাকরি এরকম হয়না যেখানে বলে দেওয়া হয় যে আমি সাড়ে তিন লক্ষ টাকা পাব। চাকরিতে বেশিরভাগ সময় মাইনের কথা বলা হয়। বাড়ির লোক পেয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার। এই চক্রটাকে যতদিন না আমরা অর্গান ডোনেশনের নিয়মাবলী সঠিকভাবে করতে পারব ফলো করতে পারব ততদিন এই কালো বাজারী চলবে। এ বিষয় নিয়ে খুব কড়া আইন হওয়া উচিত। এই আইন পরিবর্তন করতে গেলে বিধানসভায়, সুতরাং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।”


