Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আটলান্টিকের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে প্রতি রাতে ১,০০০ পর্যন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত ড্রোন পাঠানোর একটি গোপন পরিকল্পনা তৈরি করেছিল ইউক্রেন(Moscow Airport Drone)। এই অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল “M&Ms”। তৎকালীন ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইখাইলো ফেদোসভের অধীনে পরিকল্পনাটি তৈরি হয়।
অভিযানের মূল লক্ষ্য (Moscow Airport Drone)
মস্কোর ডোমোদোদোভো, শেরেমেত্যেভো, ভনুকোভো এবং ঝুকোভস্কি বিমানবন্দরকে অচল করে দেওয়াই ছিল এর লক্ষ্য। এর মাধ্যমে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে মস্কোয় ফ্লাইট পরিচালনা থেকে বিরত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছিল।
স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার
প্রতিটি ড্রোনে জিপিএস ছাড়াই কাজ করতে সক্ষম এআই প্রযুক্তি এবং আগে থেকে লোড করা ম্যাপ ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছিল। ফলে লাইভ ক্যামেরা ফিড দেখে ড্রোনগুলো নিজে থেকেই লক্ষ্যবস্তু খুঁজে আঘাত হানতে পারতো। ২০২৫-২৬ সালের শীতকালে প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির কাছে প্রস্তাবটি পেশ করা হয়। তবে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর পরিকল্পনাটি স্থগিত হয়ে যায়। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্সিয়াল অফিস অবশ্য এই রিপোর্টকে “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন” বলে দাবি করেছে।
কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা (Moscow Airport Drone)
এই খবরের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন। হামলার ফলে কিয়েভের প্রায় ৩৮,০০০ মানুষ পাতাল রেলে আশ্রয় নেন। জেলেনস্কি আবারও পশ্চিমের দেশগুলোর কাছে ‘পেট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: Jalpaiguri: ছয় স্কুলছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
সীমানা ছাড়িয়ে ড্রোন যুদ্ধ (Moscow Airport Drone)
পাল্টা হিসেবে ইউক্রেনও রাশিয়ার নিঝনেকামস্ক তেল শোধনাগার এবং তামাননেফতেগাজ টার্মিনালে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার দাবি, তারা এক রাতেই ৭২৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। ইউক্রেন ও রাশিয়ার এই ড্রোন যুদ্ধের প্রভাব এখন পোল্যান্ড, রোমানিয়া এবং মলদোভাতেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।



