Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিজিটাল ও টেলিকম শাখা— জিও প্ল্যাটফর্মস (Jio Platforms)। বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া এই প্রস্তাবিত আইপিও-র (IPO) ড্রাফ্ট রেড হেরিং প্রসপেক্টাসের ওপর তাদের প্রয়োজনীয় অবর্জাবেশন লেটার বা অনুমোদন প্রদান করেছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ় স্টক এক্সচেঞ্জ ফাইলিংয়ের মাধ্যমে এই খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। সেবি-র এই সবুজ সংকেত পাওয়ার ফলে সংস্থাটি এখন দ্রুত শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশের প্রস্তুতি শুরু করতে পারবে।
বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ (Jio Platforms)
সেবি-র অবজার্ভেশন লেটার পাওয়ার পর এ বার আনুষ্ঠানিকভাবে আইপিও-র প্রচার ও মার্কেটিং শুরু করতে চলেছে জিও প্ল্যাটফর্মস। ‘মিন্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পুরো প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেবেন খোদ সংস্থার ম্যানেজমেন্ট কর্তারা। প্রাথমিক আলোচনা ও সূত্র মারফত জানা গেছে যে, ভারতের এই মেগা আইপিও ঘিরে আন্তর্জাতিক স্তরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ রয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন গ্লোবাল সোভারেন ওয়েলথ ফান্ড এবং পেনশন ফান্ডগুলি এই বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই শেয়ার বাজারে এই ইস্যু লঞ্চ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
৩৫,০০০০ কোটি টাকার বিশাল ইস্যু সাইজ (Jio Platforms)
এই প্রস্তাবিত আইপিও-র মাধ্যমে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা (প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) তোলার পরিকল্পনা রয়েছে জিও প্ল্যাটফর্মসের। এই বিশাল অঙ্কের আইপিও সফলভাবে বাজারে এলে তা ভারতের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বকালের সবচেয়ে বড় আইপিও-র নতুন রেকর্ড গড়বে। এর আগে হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া এবং লাইফ ইনশিওরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (LIC)-র মতো সংস্থাগুলি বাজারে বড় আইপিও এনেছিল। এমনকি ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (NSE)-এর প্রস্তাবিত ৩০,০০০০ কোটি টাকার আইপিও-র লক্ষ্যমাত্রা থেকেও জিও-র এই ইস্যুর আকার অনেকটাই বেশি।
আরও পড়ুন: ICICI Prudential: আইসিআইসিআই প্রুডেন্সিয়াল মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার বৃদ্ধি
শেয়ারের বিন্যাস (Jio Platforms)
প্রস্তাবিত এই আইপিও-র পুরো প্রক্রিয়াটিই হবে নতুন শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে (Jio Platforms)। অর্থাৎ, এতে কোনও অফার ফর সেল বা ওএফএস (OFS) কম্পোনেন্ট রাখা হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই আইপিও-তে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর প্রায় ২৭ কোটি নতুন ইক্যুইটি শেয়ার ইস্যু করা হবে। ওএফএস না থাকায় এই আইপিও থেকে সংগৃহীত সম্পূর্ণ অর্থ সরাসরি সংস্থার নিজস্ব তহবিলে জমা হবে, যা পরবর্তীতে সংস্থার ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ঋণ পরিশোধের মতো কাজে ব্যবহার করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



