Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিনে অন্তত ২২ মিনিট চুমু খেলেই নাকি আয়ু একধাক্কায় বেড়ে যেতে পারে ৭ বছর! সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে আজকাল নানান তথ্য ঘুরে বেড়ায় (Your Life)। তেমন ভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই দাবি। গবেষণার নামে ঘুরে বাড়ানো এই তথ্যটি কি সত্যিই বৈজ্ঞানিক ভিত্তিযুক্ত, নাকি নেহাতই রটনা?
চুমু খেলে দূর হয় অবসাদ! (Your Life)
চুমু খেলে অবসাদ দূর হয়। বাড়ে ভালোবাসা বা প্রেম (Love)। তা ‘কামসূত্র’ স্বীকার করে নিয়েছে। যে পুরুষরা সকালে কাজে বেরোনোর আগে স্ত্রীকে চুমু খান, তাঁরা অন্যদের তুলনায় গড়ে ৫ বছর বেশি বাঁচেন। আশির দশকে জার্মান মনোবিদ আর্থার জাবো এক গবেষণায় দাবি করেছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ‘বিদায়ী চুমু’ রূপান্তরিত হয়েছে ‘২২ মিনিটের চুম্বন’-এ, আর ৫ বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ বছরে!
আরও পড়ুন:Suji Burger: হেলদি টেস্টি সুজির বার্গার, বানিয়ে ফেলুন বাড়িতেই
গবেষকদের মতে, স্টপওয়াচ ধরে ২২ মিনিট সময় মাপা বা আয়ু বৃদ্ধির এই হিসাবটি অতিরঞ্জিত হলেও চুম্বনের স্বাস্থ্যগুণ একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো নয় (Your Life)। নিয়মিত ভালোবাসার মানুষের সংস্পর্শে থাকলে বা চুমু খেলে শরীরে ‘ফিল গুড’ হরমোন (যেমন অক্সিটোসিন ও ডোপামিন) নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমাতে দারুণ কার্যকর (Kissing Benefits)।
চুম্বনের রয়েছে শারীরিক উপকারিতাও
প্রিয়জনের স্পর্শ ও চুম্বন রক্তনালীকে প্রসারিত করে, ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং শরীরের সূক্ষ্ম ব্যথা-বেদনা উপশম হয়। চুম্বনের সময় নিঃসৃত অতিরিক্ত লালারস দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবারের কণা পরিষ্কার করে মুখগহ্বরকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। এমনকী বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Your Life)। চুম্বনের সময় লালারসের আদান-প্রদানের মাধ্যমে নতুন অনুজীবের সংস্পর্শে আসে শরীর, যা ইমিউন সিস্টেমের জন্য প্রাকৃতিক ‘ক্রস-ট্রেনিং’-এর মতো কাজ করে।

আরও পড়ুন: Babycorn Fritters: সন্ধ্যে মাতিয়ে দেবে মুচমুচে স্ন্যাক্স, বাড়িতেই বানান বেবিকর্ন ফ্রিটার্স
লালারসের বিনিময় ছোঁয়াচে অসুখও ডেকে আনতে পারে। তবে সঙ্গী দীর্ঘদিনের হলে এই বিপদ অনেকটাই কমে যায় (Your Life)। সুতরাং স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে চুম্বন করলে তার ফল সদর্থক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই মিনিটের হিসাব বা বৈজ্ঞানিক দাবির অতিরঞ্জন না ভেবে, ভালোবাসার মানুষের কাছাকাছি থাকা এবং সেই উষ্ণতা ভাগ করে নেওয়াই দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের আসল চাবিকাঠি।


