Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা ফুটবল লিগের ডামাডোলের মাঝেই আইএফএ শিল্ডে (Mohun Bagan IFA Shield) অংশগ্রহণ নিয়ে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস দত্ত জানান, নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষেই তাঁরা শিল্ডে খেলার বিষয়ে আইএফএ-কে চিঠি দিয়েছেন। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শিল্ড শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য ফুটবল সংস্থার। অন্যদিকে, আগামী ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। এমন ঠাসা সূচির মধ্যে বাগান ব্রিগেডের এই শর্ত যে রাজ্য ফুটবল সংস্থার ওপর বড়সড় চাপ তৈরি করল, তা বলাই বাহুল্য।
অংশগ্রহণের প্রধান শর্ত (Mohun Bagan IFA Shield)
দেবাশিস দত্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, আগামী ৬ অক্টোবরের মধ্যে যদি আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল সহ সম্পূর্ণ টুর্নামেন্ট শেষ হয়, তবেই মোহনবাগান এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই আইএফএ-র কাছে লিখিতভাবে নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে। বর্তমান মরসুমে ডুরান্ড কাপের পর এখন চলছে কলকাতা লিগ এবং এর পরেই শুরু হওয়ার কথা শিল্ড। ফুটবলারদের ওপর ম্যাচের এই অতিরিক্ত চাপ এবং আসন্ন আইএসএল-এর আগে দলের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও ফিটনেসের কথা মাথায় রেখেই সবুজ-মেরুন শিবির এই ডেটলাইন বেঁধে দিয়েছে।
কলকাতা লিগের ডার্বি (Mohun Bagan IFA Shield)
আইএফএ শিল্ডের আলোচনার পাশাপাশি এখন তীব্র উত্তাপ ছড়িয়েছে কলকাতা লিগের আসন্ন ডার্বি ঘিরে। ডুরান্ড কাপ ফাইনালের হতাশা ভুলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ক্লাবটি। সেই লক্ষ্যেই কলকাতা লিগের রিজ়ার্ভ দলের পাশাপাশি সিনিয়র দলের প্রথম সারির ফুটবলারদেরও স্কোয়াডের সঙ্গে যুক্ত করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ইতিমধ্যেই সাহাল আব্দুল সামাদ এবং মনবীর সিংয়ের মতো তারকারা কলকাতা লিগে মাঠে নেমেছেন। তবে ডার্বি ম্যাচে সিনিয়র দলের আরও বেশি ফুটবলার খেলবেন কি না, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পুরোপুরি কোচের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন কর্তারা।
আরও পড়ুন: Mohammedan SC Ban: ফিফার নিষেধাজ্ঞার জালে মহামেডান স্পোর্টিং
কোচের সিদ্ধান্ত (Mohun Bagan IFA Shield)
টানা ম্যাচের ধকল সামলাতে এবং স্কোয়াডের গভীরতা বাড়াতে কলকাতা লিগের জন্য মোট ৪০ জন ফুটবলারকে নথিভুক্ত করাচ্ছে মোহনবাগান (Mohun Bagan IFA Shield)। এর ফলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই বিকল্প খেলোয়াড়ের ঘাটতি পড়বে না বলে মনে করছে ম্যানেজমেন্ট। তবে কোন ম্যাচে প্রথম একাদশে কারা মাঠে নামবেন বা ম্যাচের রণকৌশল কী হবে, সেই বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে কোচিং স্টাফদেরই।



