Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: সম্প্রতি ওড়িশার একটি জঙ্গল (Orangutans) থেকে পাঁচটি ওরাংওটাং শাবক উদ্ধার নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কীভাবে এই শাবকগুলো এখানে পৌঁছল, সেই নিয়েও তদন্ত শুরু করছে ওড়িশা পুলিশ এবং বনদফতর। ওরাংওটাং ভারতের স্থানীয় প্রাণী নয়। শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার বন্য পরিবেশে এই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীটি পাওয়া যায়। এবার এই উদ্ধার হওয়া পাঁচটি ওরাংওটাং শাবকের ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী এক বা দু’দিনের মধ্যেই এই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।
ওরাংওটাং-দের শারীরিক অবস্থা (Orangutans)
মঙ্গলবার বালেশ্বর জেলার স্থানীয় লোকজন ওরাংওটাংগুলোকে (Orangutans) দেখতে পেলে বন কর্মকর্তাদের খবর দেয়। বন দফতর ওরাংওটাং গুলোকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ভুবনেশ্বরের নন্দনকানন চিড়িয়াখানায় নিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার পর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উদ্ধার হওয়া শাবকগুলির স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তাঁরা জানান, তাঁরা খুব শীঘ্রই নন্দনকানন পরিদর্শনে যাবেন। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন, শাবকগুলোকে সেই কেন্দ্র থেকে সরানো যাবে কিনা। জানা গিয়েছে , পাঁচটি শাবকই স্বাভাবিকভাবে খাবার খাচ্ছে। পুরুষ শাবক দু’টির শারীরিক উন্নতি হয়েছে।
BJP MLA Parag Shah: ৫ হাজার কোটির মালিক হয়েও একদিন ভিখারি! কেন রাস্তায় নামলেন বিজেপি বিধায়ক?
চিকিৎসার পর মল পরীক্ষা করা হয়েছিল তাদের।
পলাতক অভিযুক্তরা
সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে শেয়ার হওয়া কিছু ছবি ও ভিডিও থেকে জানা গিয়েছে, পাঁচটি ওরাংওটাং শাবক নিজেদের প্রাকৃতিক আবাস ছেড়ে অনেক দূরে ওড়িশার জঙ্গলে কলা খাচ্ছিল। এই শাবকগুলি কি করে ওড়িশার জঙ্গলে পৌঁছলো কারা এদের পাচার করছিল তারই খোঁজ চালাচ্ছে প্রশাসন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই একটি কালো গাড়িকে সনাক্ত করেছে পুলিশ। যেদিন শাবকগুলি উদ্ধার হয়েছিল, তার আগের দিন রাতে ওই কালো গাড়িটিকে সেই জঙ্গলে যেতে এবং বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে। সেই রকম একটি কালো গাড়িকে সম্প্রতি দীঘায় দেখতে পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই এখন খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ওড়িশার বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে বন্য প্রাণীগুলিকে কোনও আন্তর্জাতিক চোরাচালানকারী চক্রের মাধ্যমে দেশে পাচার করে মহাসড়কের কাছে ফেলে যাওয়া হয়েছিল কি না। কলকাতার বাসিন্দা জি. মাইতি, এবং তাঁর ছেলে এস. মাইতিকে এই ঘটনার সাথে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে তাঁরা পলাতক। দীঘা হোটেলের সঙ্গে যুক্ত আরও একজনকে তদন্তের আওতায় এনেছে রাজ্য পুলিশ।


