Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অসমে ককরোচ জনতা পার্টির ভলেন্টিয়ার্স মিট ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে (Cockroach Janta Party)। রবিবার গুয়াহাটিতে দলের নির্ধারিত সভার কয়েক ঘণ্টা আগে দলের কো-কনভেনর ও মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা-সহ একাধিক নেতা এবং স্বেচ্ছাসেবককে অসম পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলের সঙ্গে প্রশাসনের সংঘাত আরও প্রকাশ্যে এসেছে।

সংগঠন বিস্তারের লক্ষ্যেই সভা (Cockroach Janta Party)
দলের দাবি, অসমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী এবং বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই গুয়াহাটিতে এই ভলেন্টিয়ার্স মিটের আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় দলের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। সেই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই শনিবার অসমে পৌঁছেছিলেন দলের কো-কনভেনর ও মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। রবিবারের কর্মসূচিতে তাঁর বক্তব্য রাখার কথা ছিল।
পুলিশের ঘেরাটোপের অভিযোগ (Cockroach Janta Party)
রাঙ্কার অভিযোগ, নির্ধারিত সভাস্থলে যাওয়ার রাস্তা দু’দিক থেকে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। এমনকি কাঁদানে গ্যাসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। সভায় যোগ দিতে আসা দলের একাধিক কর্মী-সমর্থককেও পুলিশ আটক করেছে বলে দাবি ককরোচ জনতা পার্টির।
স্কুল, কাজিরাঙা ও বন্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলার দাবি (Cockroach Janta Party)
আটকের পর অসম সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁর দাবি, অসমের স্কুলের পরিস্থিতি, কাজিরাঙার বিভিন্ন সমস্যা এবং রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলাও তাঁদের কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল। রাঙ্কার অভিযোগ, এই বিষয়গুলি নিয়ে তাঁরা প্রকাশ্যে আলোচনা করলে সরকারের অস্বস্তি তৈরি হতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই কর্মসূচি আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
‘অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে’ (Cockroach Janta Party)
ঘটনার পর ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, আশুতোষ রাঙ্কা-সহ দলের একাধিক সদস্যকে আটক করে অজ্ঞাত কোনও জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং অসমের স্বেচ্ছাসেবকদের আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
প্রশাসনের বক্তব্য এখনও স্পষ্ট নয় (Cockroach Janta Party)
তবে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে ওঠা অভিযোগগুলির বিষয়ে অসম প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে কেন তাঁদের আটক করা হয়েছিল এবং সভাস্থলে পুলিশের এত বড় মোতায়েনের কারণ কী ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
কর্মসূচি বন্ধ নয়, দাবি দলের
পুলিশের পদক্ষেপ সত্ত্বেও অসমে তাদের সাংগঠনিক কর্মসূচি বন্ধ করা হবে না বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। ফলে গুয়াহাটির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে অসমে দলের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক তৎপরতা কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর থাকছে।



