Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: দেশের জন্য কাজ করতে চেয়েই (Politics) একসময় আইএএস পরীক্ষায় বসেন দিব্যা মিত্তাল। পরীক্ষায় সফল হয়ে ১৩ বছর দেশের সেবাও করলেন। কিন্তু, আচমকাই সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করা তাঁর একটি ৯ মিনিটের ভিডিও সম্প্রতি চর্চায় উঠে এসেছে। কিছুদিন আগেই দীর্ঘদিনের কর্মজীবন থেকে বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গল্পের শেষ এখানেই নয়। সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করা ভিডিওতে তিনি তাঁর অনুরাগীদের জানান,এবার রাজনীতিতে পা রাখছেন তিনি। যদিও ইস্তফা দেবার পর থেকেই এই বিষয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
কী ছিল সেই ভিডিওতে ? (Politics)
নিজের শেয়ার করা ভিডিওতে দিব্যা বলেন, “নমস্কার, আমি দিব্যা মিত্তল। কয়েক দিন (Politics) আগে আমি IAS পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি এবং আপনাদের মনে অনেক প্রশ্ন রেখে দিয়েছি। কয়েক দিন কোনও উত্তর দিইনি, কারণ কাজটা বড় ছিল এবং আমি সাহস সঞ্চয় করছিলাম। কিন্তু আজ সেই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে এসেছি। এরপর কী? কার সঙ্গে এবং কোথা থেকে? প্রথম প্রশ্ন, এরপর কী? রাজনীতি। মানুষ আমাকে বলেছে, তুমি তো সবকিছুই হয়ে গিয়েছ, এবার আর কী হতে চাও? আমি তাঁদের কণ্ঠস্বর হতে চাই, যাঁদের কণ্ঠ কোনও দফতর পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না এবং পৌঁছলেও তা শোনা হয় না। আর আমি আমার দেশের স্বাধীনতার ৮০ বছরের হিসাব চাই।”
লহরিয়া পরিদর্শনেই অভিজ্ঞতা
ভিডিওতে তিনি তাঁর লহরিয়া দহ পাহাড়ে পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলার সময় বলেন, সেখানে তাঁর একজন মহিলার সাথে পরিচয় হয়। মহিলাটি তাঁর দিকে এগিয়ে এলে তিনি ভেবেছিলেন, হয়তো তার কিছু প্রয়োজন আছে, যেমন পেনশন, পাকাবাড়ি বা অন্য কিছু। কিন্তু দিব্যাকে অবাক করে মেয়েটি বলেন, “ম্যাডাম, আমাদের গ্রামে স্কুল শুধুমাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত রয়েছে। এরপর জঙ্গল ও পাহাড়ের মধ্যে শিশুদের পড়াশোনা থেমে যায়। আমি চাই, আমাদের গ্রামেই পরবর্তী শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার জন্য একটি স্কুল হোক।” তবে তিনি স্কুল তৈরির অনুমতি দিলেও তিন বছরে সেখানে স্কুল তৈরির কাজ শুরু হয়নি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেই বলেন “এখন আপনারাই বলুন, কী ছিল না? টাকা ছিল না, নিয়ম ছিল না, অনুমোদন ছিল না? সবই ছিল, শুধু ইচ্ছেটা ছিল না। ইচ্ছা থাকলে পাহাড়ও পথ করে দিত, আর ইচ্ছা না থাকলে একটি ফাইলই পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়। আমি সেই স্কুলগুলির হিসাব চাই।”
Tanya: রশ্মিকা মান্দানা নয়, জাতীয় ক্রাশ এখন এই মেয়েটি, জানেন কে এই তরুণী
অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ
এই ভিডিওতে তিনি আরো অনেক অভিযোগ তোলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন আজকালকার শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে, প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে। তিনি বলেন “আমার উদ্দেশ্য শুধু একজন রাজনীতিবিদকে বদলানো নয়, রাজনীতিই বদলাতে হবে। এমন এক রাজনীতি যা মানুষের কথা শুনবে। ” তিনি তাঁর এই সিদ্ধান্ত নেবার পরের বাধা গুলির কোথাও তুলে ধরেন। তাই তিনি যারা সেদিন তাঁকে সমর্থন করেছিলেন তাঁদের নিয়ে একটি মঞ্চ তৈরির প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন “আমি যখন আধিকারিক ছিলাম, তখন ন্যায়বিচার করার আগে কখনও কারও নাম জিজ্ঞেস করিনি রাজনীতিতেও জিজ্ঞেস করব না।”


