Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাশ নস্কর: কলকাতা বিমানবন্দরে ফের বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে বিমানবন্দরের ডিপারচার অংশের মহিলাদের শৌচালয়ে একটি চিরকুট উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য (Kolkata Airport)। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘৩০ নম্বর গেটে বোমা রাখা আছে’। বিষয়টি প্রথম নজরে আসে বিমানবন্দরের সাফাই কর্মীদের। এরপর দ্রুত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সিআইএসএফকে খবর দেওয়া হয়।

চিরকুট ঘিরেই শুরু তৎপরতা (Kolkata Airport)
চিরকুট উদ্ধারের পর কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাননি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা। খবর দেওয়া হয় বিমানবন্দর থানা, সিআইএসএফ এবং বম্ব স্কোয়াডকে। এরপর ৩০ নম্বর গেট-সহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে শুরু হয় তল্লাশি। নিরাপত্তাকর্মীরা বিমানবন্দরের ভিতরে চিরুনি তল্লাশি চালান। যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে বাড়ানো হয় নজরদারিও। তবে এখনও পর্যন্ত তল্লাশিতে কোনও সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক উদ্ধার হয়নি বলেই বিমানবন্দর সূত্রে খবর। ফলে প্রাথমিকভাবে চিরকুটটি নিছক আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে ফেলে যাওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পনেরো দিনের ব্যবধানে ফের হুমকি (Kolkata Airport)
কলকাতা বিমানবন্দরে বোমাতঙ্ক অবশ্য নতুন নয়। এর আগে গত ৮ অক্টোবর বিমানবন্দরে একটি হুমকি মেল আসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। সেই মেলে বিমানবন্দরের ভিতরে বোমা রাখা রয়েছে এবং যে কোনও মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে দাবি করা হয়েছিল। খবর পেয়েই তৎপর হয়ে ওঠে সিআইএসএফ। যাত্রীদের সতর্ক করার পাশাপাশি বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনও বিস্ফোরকের সন্ধান মেলেনি (Kolkata Airport)।
আরও পড়ুন: Manipur Crisis: ফের উত্তপ্ত মণিপুর, গুলিতে কুকি-জো যুবকের মৃত্যু! বাড়িতে আগুন, বাড়ছে আতঙ্ক
কে ফেলল চিরকুট? উঠছে একাধিক প্রশ্ন
আগের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শৌচালয়ে বোমা রাখার দাবি লেখা চিরকুট উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। কে বা কারা এই চিরকুট সেখানে রেখে গেল? কী উদ্দেশ্যেই বা এমন আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা? নেপথ্যে কোনও দুষ্কৃতীচক্র রয়েছে, নাকি নিছক মজা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চিরকুটটি যাঁরা প্রথম দেখতে পান, সেই সাফাই কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত যত এগোবে, ততই স্পষ্ট হবে এই বোমাতঙ্কের পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী ছিল।



