Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হেনস্থার (Behala Public Humiliation Case) অভিযোগ উঠল কলকাতার বেহালার সরশুনায়। অভিযোগ, ১৩ বছরের এক কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে ১৮ বছরের এক যুবক, তাঁর বন্ধু এবং বাবাকে মারধর করে নগ্ন অবস্থায় রাস্তায় হাঁটতে বাধ্য করা হয়। এমনকি গোটা ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম নগরপাল কুণাল আগরওয়াল।
ঠিক কী হয়েছিল? (Behala Public Humiliation Case)
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মীপুজোর (Behala Public Humiliation Case) রাতে ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন যুবক। অন্ধকার রাস্তায় তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত এক পরিচিতের নজরে পড়ে বলে অভিযোগ। বিষয়টি কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, প্রথমে যুবক ও তাঁর ১৯ বছরের বন্ধুকে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে ফোন করে যুবকের বাবাকেও ডেকে আনা হয়।
ছেলেকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে রাস্তায় হাঁটেন বাবা (Behala Public Humiliation Case)
যুবকের পরিবারের অভিযোগ, বাবাকে ভয় দেখিয়ে তিনটি বিকল্প দেওয়া হয়েছিল। ছেলেকে গুলি করা, ধর্ষণের মামলায় ফাঁসানোর হুমকি মেনে নেওয়া, অথবা পরিবারের সদস্যদের নগ্ন হয়ে রাস্তায় হাঁটা-এমনই চাপ দেওয়া হয় বলে দাবি। ছেলেকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে তিনি শেষ বিকল্প বেছে নেন বলে অভিযোগ। পরে বাজার এলাকার মধ্যে দিয়ে তিনজনকে নগ্ন অবস্থায় হাঁটানো হয়।
রবিবার রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সরশুনা থানায় অপহরণ, বেআইনি আটক, মারধর, হুমকি এবং অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃত তিনজনকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হলে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। ঘটনায় আর কারা জড়িত, আগ্নেয়াস্ত্রের ভূমিকা কী এবং অভিযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


