Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার সকালে কলকাতার অন্যতম অভিজাত আবাসন সাউথ সিটি কমপ্লেক্সে আচমকা অগ্নিকাণ্ডকে ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে (South City Complex)। আবাসনের ৩ নম্বর টাওয়ারের ২৭ তলায় আগুন লাগে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সার্ভেন্টস কোয়ার্টারের পাশের অংশ থেকেই প্রথম আগুনের সূত্রপাত। বহুতলের এতটা উপরে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, বন্ধ লিফট—সিঁড়িই একমাত্র ভরসা (South City Complex)
অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরই নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় লিফট পরিষেবাও। ৩০ তলা ওই টাওয়ারের উপরের তলাগুলিতে থাকা বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদে নামিয়ে আনার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ বাসিন্দাদেরও সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে আনতে হয়। একসঙ্গে বহু মানুষ সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করায় তৈরি হয় হুড়োহুড়ির পরিস্থিতি।
সাতটি ইঞ্জিন নিয়ে ঘটনাস্থলে দমকল (South City Complex)
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় যাদবপুর থানার পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। আগুন নেভানোর কাজে নামে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। ২৭ তলায় আগুন লাগায় দমকল কর্মীদেরও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু হয়। রেসিডেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস বসু জানান, ৩ নম্বর টাওয়ারে আগুন লেগেছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে নামিয়ে আনার কাজ চলছে।
শর্ট সার্কিটের আশঙ্কা, তদন্তে দমকল (South City Complex)
প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। দমকলের তরফে দ্রুত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এলেও সম্পূর্ণ নির্বাপণ এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা।
আরও পড়ুন: Cyclone Arnab Effect: দুর্বল হয়েছে ‘অর্ণব’, তবু কাটেনি দুর্যোগ! বৃষ্টিতে ভিজছে বাংলা
ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও অজানা
সাউথ সিটি কমপ্লেক্সে মোট চারটি টাওয়ার রয়েছে। তার মধ্যে ৩ নম্বর টাওয়ারের ২৭ তলায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে আতঙ্ক ছড়ায়। আপাতত সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে আনা এবং আগুন সম্পূর্ণ নেভানো। অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না বা সম্পত্তির কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পরই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত হিসাব সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।



