Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতাকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে এবার একগুচ্ছ বড়সড় পরিকল্পনা নিল রাজ্য সরকার (Kolkata Development)। ব্যাংককের আদলে কলকাতা, হাওড়া ও সল্টলেকের ফুটপাত দখলমুক্ত করে তৈরি হবে নির্দিষ্ট ‘হকার জোন’। পাশাপাশি মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভের আদলে সাজানো হবে গঙ্গার দুই পাড়। ঐতিহ্য বজায় রেখেই নতুন রূপ পাবে কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া এবং ট্যাংরার চায়না টাউন। মায়াপুর, নবদ্বীপ ও চন্দননগরকেও আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এনবিসিসির সঙ্গে ৯টি মউ, শুরু মেগা প্রকল্পের কাজ (Kolkata Development)
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সোমবার রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল বিল্ডিংস কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের (এনবিসিসি) নয়টি মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সল্টলেকে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, কলকাতাকে লন্ডন, মুম্বই এবং ব্যাংককের মতো আন্তর্জাতিক শহরের আদলে সাজানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নে কেএমডিএ, নগরোন্নয়ন দফতর এবং সুডাকেও যুক্ত করা হচ্ছে।
কলেজ স্ট্রিট থেকে চায়না টাউন (Kolkata Development)
কলকাতার ঐতিহাসিক কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়াকে অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বইপাড়ার ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখেই তৈরি হবে আধুনিক নাগরিক পরিকাঠামো। অন্যদিকে, ট্যাংরার চায়না টাউনকে চিনা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
গঙ্গার দুই পাড়ে মেরিন ড্রাইভের ছোঁয়া (Kolkata Development)
কলকাতা ও হাওড়ার গঙ্গার দুই তীরে তৈরি হতে পারে চার লেনের সড়ক। পাশাপাশি থাকবে পৃথক হাঁটার পথ, সাইকেল ট্র্যাক এবং আধুনিক নাগরিক পরিষেবা। চন্দননগরের নদীতীরবর্তী এলাকার সৌন্দর্যায়নও এই পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ।
আরও পড়ুন: Government Job: রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য, মিলবে গ্রুপ-ডি চাকরি
বস্তি উন্নয়ন, হকার জোন ও পর্যটন পরিকাঠামোয় জোর
শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে নির্দিষ্ট ভেন্ডিং জোন, ফুড স্ট্রিট, ফুড কোর্ট এবং কিউআর কোডের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা-সহ বিশেষ ভেন্ডিং গাড়ি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতার কয়েকটি বড় বস্তির বাসিন্দাদের জন্য তৈরি হবে স্থায়ী পাকা আবাসন।
মায়াপুরের ইসকন মন্দির, নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যের স্মৃতিবিজড়িত স্থান এবং ঐতিহাসিক ঘাটগুলির উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সল্টলেকের কয়েকটি সরকারি আবাসন পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আধুনিক পাবলিক টয়লেট তৈরি করবে এনবিসিসি।



