Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলার লোক সঙ্গীতের ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছিলেন বাউল সম্রাট শ্রী পূর্ণ চন্দ্র দাস। বীরভূমের এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে, আজ তিনি ভারতের সঙ্গীত জগতে এক কিংবদন্তি। দীর্ঘ এক সঙ্গীত জীবন কাটিয়ে, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে বাউল সম্রাট (Baul Emperor) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এবং ২০১৩ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হন। তাঁর গানের মাধ্যমে, শুধুমাত্র ভারতবর্ষে নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও বাউল সঙ্গীতের প্রশংসা শুনতে পাওয়া যায়।
নব্বই বছর বয়সেও, এই মহান শিল্পী এখনও ভারতীয় লোক সঙ্গীতের বাউল গানের (Baul Emperor) ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছেন।
আরও পড়ুন: Rain Forecast: বিকাল হলেই ঝমঝমিয়ে নামবে বৃষ্টি! বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া, দুর্যোগের পূর্বাভাস বঙ্গে
সম্প্রতি, কলকাতার আয়কর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হল আয়কর বিভাগের রেভিনিউ অফিসিয়ালস ওমেন অ্যাসোসিয়েশন (ROWA) কর্তৃক তাঁকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রোয়ার চেয়ারপারসন অর্চনা কুমার, প্রিন্সিপাল চিফ কমিশনার, ওয়েস্ট বেঙ্গল সিকিম নীরজ কুমার, রোয়ার সদস্য নিবেদিতা বিশ্বাস এবং দপ্তরের অন্যান্য কর্মচারী ও বিশিষ্ট অতিথিরা।

লোক সঙ্গীতের তত্ত্ব তুলে ধরলেন বাউল সম্রাট (Baul Emperor)
অনুষ্ঠানে পূর্ণচন্দ্র দাস তাঁর বাউল গানের তত্ত্ব ও দর্শন তুলে ধরেন। লোক সঙ্গীতের মর্ম এবং তার সংজ্ঞা বুঝিয়ে তিনি শোনান তাঁর জনপ্রিয় গান ‘মেনকা মাথায় দিল ঘোমটা’, ‘গোলেমালে গোলে মালে’। তাঁর গানে মুগ্ধ হয়ে ওঠে পুরো শ্রোতামণ্ডলী।
আরও পড়ুন: Green Anaconda: দৈত্যাকার সবুজ অ্যানাকোন্ডা আসছে কলকাতায়, আলিপুর চিড়িয়াখানায় নতুন চমক
লোক সঙ্গীতের ঐতিহ্য ও তার গুরুত্ব (Baul Emperor)
অনুষ্ঠানে অর্চনা কুমার বলেন, “লোক সঙ্গীত শুধুমাত্র মনোরঞ্জনের জন্যে নয়, এটি আমাদের অতীত ও বর্তমানের সেতুবন্ধনের কাজ করে। সঙ্গীতের মাধ্যমে আমরা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখি।” পূর্ণচন্দ্র দাসের মতো কিংবদন্তি শিল্পীরা আজও প্রমাণ করে চলেছেন যে, সঙ্গীতের শক্তি শুধুমাত্র বিনোদনই নয়, একেকটি পৃ্থিবী ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটানোর মাধ্যমও।


