Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : ইন্দোনেশিয়ার প্রধান আঞ্চলিক শহর বন্দুং-এ ফের উত্তেজনা(Indonesia Protests)। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব বন্দুং (ইউএনআইএসবিএ) এবং পাশের পাসুন্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিপুল ছাত্রসমাবেশে টিয়ার গ্যাস ছুড়ল পুলিশ। ঘটনার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
বিক্ষোভের পটভূমি (Indonesia Protests)
গত সপ্তাহে রাজধানী জাকার্তায় শুরু হয়েছিল এই আন্দোলন(Indonesia Protests)। মূলত সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়, বিশেষ করে সাংসদদের বাড়তি সুবিধা ভোগ নিয়ে ক্ষোভ জমেছিল সাধারণ মানুষের। সেই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। দাঙ্গা ও লুটপাটে রাজধানী জাকার্তায় কয়েক মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতিক্রিয়া(Indonesia Protests)
পাসুন্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাদিয়ালাগা রুচিয়াত জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর সবসময়ই নিরাপদ অঞ্চল, কিন্তু সেখানে পুলিশের টিয়ার গ্যাস হামলা অগ্রহণযোগ্য(Indonesia Protests)। ইউএনআইএসবিএ কর্তৃপক্ষের দাবি, ক্যাম্পাসকে চিকিৎসা সহায়তার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। ছাত্র সংসদের অভিযোগ, সরকার বিরোধী কণ্ঠরোধের জন্যই পুলিশ নৃশংসভাবে ক্যাম্পাসে হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন : BRICS Meeting : ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধ নিয়ে আগামী সপ্তাহে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসছে ‘ব্রিক্স’!
সরকার ও পুলিশের অবস্থান
পুলিশ কর্মকর্তা হেন্দ্র রোচমাওয়ান জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে পুলিশ প্রবেশ করেনি। বাইরে থাকা অ-ছাত্র প্রতিবাদকারীরা ক্যাম্পাসে আশ্রয় নিতে চাইছিলেন, তাঁদের সরাতেই এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্টো শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি ও শ্রম আইন সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি সতর্ক করেছেন, সহিংসতার মুখে পুলিশ ও সেনা কঠোর অবস্থান নেবে।
ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের সংখ্যা
সরকারি হিসাবে, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু জাকার্তাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রায় ১২০০ জন। শহর প্রশাসনের দাবি, প্রায় ৩৪ লক্ষ মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন : SCO Meeting : ভারত ও চিন রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ উস্কে দিচ্ছে, অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া(Indonesia Protests)
মানবাধিকার সংস্থাগুলি পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের রাষ্ট্রদ্রোহী বা সন্ত্রাসী হিসেবে দেখা দায়িত্বজ্ঞানহীন। জাতিসংঘও জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করা উচিত।
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়েছে(Indonesia Protests)। ইন্দোনেশিয়ার (Indonesia) নাগরিকরা প্রোফাইল ছবিতে গোলাপি ও সবুজ রঙের ফিল্টার যোগ করে সংহতি জানাচ্ছেন। ‘ResetIndonesia’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাঁরা সরকারের কাছে ২৫ দফা দাবি তুলেছেন, যার মধ্যে পুলিশি নির্যাতন বন্ধ ও সবার জন্য সম্মানজনক মজুরির বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
FAQ
প্রশ্ন:১ ইন্দোনেশিয়ার আন্দোলন কেন হচ্ছে?
উত্তর : পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। দাঙ্গা ও লুটপাটে রাজধানী জাকার্তায় কয়েক মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
প্রশ্ন:২ কাদের বিরুদ্ধে ন্দোনেশিয়ারএই আন্দোলন?
উত্তর : সরকার বিরোধী কণ্ঠরোধের জন্যই পুলিশ নৃশংসভাবে ক্যাম্পাসে হামলা চালিয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন।


