Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণী সিনেমার দাপট এখন (Kantara) স্পষ্ট। একের পর এক হিন্দি ছবিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ ভারতের ছবি। সেই ধারায় নতুন সংযোজন ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’ (Kantara: A Legend Chapter-1)।
ছবিটি মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। মাত্র তিন দিনেই আয় ১৫০ কোটি টাকার বেশি। বাজেট ছিল মাত্র ১২৫ কোটি টাকা। এখনও পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৩৭.৬৫ কোটি টাকায়। এক কথায়, সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এই সিনেমা।
দর্শকের পরিধি বৃদ্ধি (Kantara)
‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’(Kantara) মুক্তি পেয়েছে পাঁচটি ভাষায় কন্নড়, হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালায়ালাম। পাঁচটি ভাষায় একযোগে মুক্তি পাওয়ায় দর্শকের পরিধি বেড়েছে বহুগুণে। বিশেষ করে হিন্দি ভাষার দর্শকদের মধ্যেও ছবিটি নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে।
এই সিনেমার গল্প উঠে এসেছে ভারতীয় সংস্কৃতির গভীরতা থেকে। উপজাতি জীবন, তাঁদের রীতি-নীতি, ঐতিহ্য ,দেব দেবী এবং বিশ্বাসকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে।
শক্তিশালী বার্তা (Kantara)
ঋষভ শেট্টি (Kantara) অভিনয় করেছেন ‘বর্মে ‘ চরিত্রে। তিনি চান তাঁর জনজাতির স্বাধীনতা। অপরদিকে প্রিন্স কুলশেখর, যিনি আধিপত্য বজায় রাখতে চান, সেই ভাবনার বিরোধিতা করেন। রুক্মিণী বসন্থর (Rukmini Vasanth) অভিনয় করেছেন ‘ কনাকাবতি’ চরিত্রে। তিনিও ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
ছবির প্রতিটি চরিত্রই সমান গুরুত্ব পেয়েছে। গল্পে যেমন শক্তিশালী বার্তা রয়েছে, তেমনি রয়েছে দুর্দান্ত চিত্রনাট্য। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ও সিনেমাটোগ্রাফিও দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। পাহাড়, বন আর মাটির গন্ধে ভরা ছবিটি যেন এক জীবন্ত অভিজ্ঞতা।
খুব কমই দেখা যায়
দর্শকরা মনে করছেন, ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’-এ (Kantara: A Legend Chapter-1) এমন এক সংযোগ রয়েছে যা আজকের বাণিজ্যিক ছবিতে কম দেখা যায়। এখানে শুধু অ্যাকশন বা ড্রামা নয়, রয়েছে মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক, সমাজের দ্বন্দ্ব আর আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া।
হিন্দি ছবিগুলি যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে তেমন সাড়া ফেলতে পারছে না, সেখানে দক্ষিণী ছবিগুলি ক্রমেই দখল নিচ্ছে বড় পর্দার বাজার। ‘পুষ্পা’, ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ২’-এর পর এবার ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’ নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছে।
মূল রহস্য
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, ছবিটির সাফল্যের মূল রহস্য হলো এর ভিন্নধর্মী কনসেপ্ট, স্থানীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া, এবং গভীর আবেগময় গল্প। দর্শকরা এক নতুন জীবনের ছায়া খুঁজে পাচ্ছেন ছবির চরিত্র ও ঘটনা প্রবাহে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ভুটানের জলে ক্ষতি, ক্ষতিপূরণ দাবি মুখ্যমন্ত্রীর!
রাজত্ব করা
‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’ এখন শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি এক সাংস্কৃতিক আন্দোলন।
এই ছবি প্রমাণ করেছে ,ভালো গল্প, আন্তরিক অভিনয় আর বাস্তবতার ছোঁয়া থাকলে ভাষা কোনো বাধা নয়। দক্ষিণের এই সিনেমাই এখন পুরো বক্স অফিসে রাজত্ব করছে।


