Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সম্প্রতি কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলার (Tomato Price in Pakistan) জবাবে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা কার্যক্রম চালিয়েছে। যদিও দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি হয়েছে, তবে উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি কমেনি। এর মধ্যেই পাকিস্তানে খাদ্যদ্রব্যের দাম আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে টমেটোর দাম এতটাই বেড়েছে যে, বর্তমানে পাকিস্তানের বাজারে প্রতি কেজি টমেটোর দাম দাঁড়িয়েছে ৬০০ টাকা, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল মাত্র ১০০ টাকা। এই হঠাৎ দাম বৃদ্ধির ফলে পাকিস্তানবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে।
টমেটোর দাম এখন ৬০০ টাকা (Tomato Price in Pakistan)
দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের বন্যা এবং চলমান (Tomato Price in Pakistan) সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে ফল ও সবজির দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাওয়ালপিন্ডি শহরের বাজারে টমেটোর দাম এখন ৬০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। শুধু টমেটোই নয়, রসুনের দাম প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, আদার দাম ৭৫০ টাকা, পেঁয়াজ ১২০ টাকা এবং মটরের দাম ৫০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফলমূলের দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আপেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, আঙুরের দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, নারকেল বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায় এবং ডালিমের দামও প্রতি কেজি ৪০০ টাকার আশেপাশে।
টমেটোর সরবরাহ খুবই সীমিত (Tomato Price in Pakistan)
রাওয়ালপিন্ডির সবজি ব্যবসায়ী ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম (Tomato Price in Pakistan) কাদের জানিয়েছেন, “দেশে টমেটোর সরবরাহ খুবই সীমিত। এর চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় দাম এমনই বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি, পূর্বে আফগানিস্তান থেকে টমেটো আমদানি হত, কিন্তু বর্তমানে চলমান দ্বন্দ্বের কারণে আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। তাই টমেটোর দাম স্বাভাবিক হওয়ার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না।”

খাদ্যদ্রব্যের বাজার স্থিতিশীল
সাম্প্রতিক বন্যা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবেই খাদ্যদ্রব্যের বাজার স্থিতিশীল না হওয়া, সাধারণ মানুষের জীবনে নানা সমস্যা তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতির উপর চাপ বেড়ে যাচ্ছে। যেহেতু কৃষিপণ্য আমদানি ও সরবরাহ সঙ্কটে রয়েছে, তাই এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজন
সরকারি নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পাকিস্তানের বাজারে খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজন তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে। অন্যথায় সাধারণ মানুষ দারিদ্র্যের দিকে ধাবিত হতে পারে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বাণিজ্য সচল করার প্রয়োজন রয়েছে, যা খাদ্যের সরবরাহের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


