Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২৪ ঘণ্টা আগেই ১০০ দিনের প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে চালু করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার ১০০ দিনের প্রকল্পে মামলায় আরও একবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও আরও বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে একশো দিনের কাজের (100-Days Work) মামলা বিচারাধীন রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই বকেয়া মামলাগুলো দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করল রাজ্য। আগামী ৭ নভেম্বর শুনানির সম্ভাবনা।
১০০ দিনের প্রকল্প মামলায় রাজ্যের বড় জয় (100-Days Work)
কলকাতা হাইকোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আর কার্যত কোনও জট রইল না। গত ১৮ জুনের কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায় দাসের ডিভিশন বেঞ্চের রায় বহাল রেখে কেন্দ্রের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ। এই নির্দেশের ফলে অবিলম্বে রাজ্যে ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ শুরু করার পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিতে হবে কেন্দ্রকে।
এই রায়ে কার্যত রাজ্যের পক্ষে বড় জয় এসেছে। সুপ্রিম এই নির্দেশে রাজ্যে ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ (100-Days Work) চালু হওয়া নিয়ে আর কোনও বাধা বা জটিলতা নেই। ফলে প্রায় ৪ বছর পর আবারও রাজ্য শুরু হতে চলেছে একশো দিনের প্রকল্পের কাজ। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এই রায়কে ঐতিহাসিক বলে দাবি করেছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছেন, “বহিরাগত বাংলা-বিরোধী জমিদারদের বড় পরাজয়।” তিনি আরও জানান, এই রায় বাংলার মানুষের প্রাপ্য ন্যায়ের প্রতিফলন।
অন্যদিকে, বিজেপি এই রায়ের ব্যাখ্যায় ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস রায় নিয়ে লাফালাফি করছে, কিন্তু আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় টিমের রিপোর্টে দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে। আদালতও সেই অনিয়ম স্বীকার করেছে।”
ফের আদালতে রাজ্য (100-Days Work)
রাজনীতির এই দড়ি টানাটানির মধ্যেই মঙ্গলবার রাজ্য সরকার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। ১০০ দিনের প্রকল্প সংক্রান্ত আরও কিছু বকেয়া মামলা (100-Days Work) এখনো বিচারাধীন রয়েছে। সেগুলোর দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে রাজ্য কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আদালত আগামী ৭ নভেম্বর শুনানির সম্ভাবনা জানিয়েছে।


