Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফের কঠোর অভিবাসন নীতির পথে হাঁটল আমেরিকা(USA)। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে উদ্বেগ বাড়ল বিদেশে কর্মরত হাজারো ভারতীয় পেশাদারের মধ্যে। এবার থেকে আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবীকরণ হবে না মার্কিন ওয়ার্ক পারমিট। অর্থাৎ, যে বিদেশি নাগরিকরা আমেরিকান সংস্থায় কাজ করেন, তাঁদের কর্মসংস্থান অনুমোদন নথি (Employment Authorization Document বা EAD) নবীকরণে এখন থেকে লাগবে নতুন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা।
বন্ধ হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় নবীকরণ(USA)
বুধবার মার্কিন(USA) স্বরাষ্ট্র দপ্তর একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বা তার পরে যারা ইএডি নবীকরণের জন্য আবেদন করবেন, তাঁদের নথির স্বয়ংক্রিয় মেয়াদবৃদ্ধি আর কার্যকর হবে না। অর্থাৎ, ওই তারিখের পর আবেদন করা ওয়ার্ক পারমিটের ক্ষেত্রে নতুন করে সমস্ত কাগজ যাচাই ছাড়া আর কোনো স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন মিলবে না। আমেরিকানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই প্রবাসীদের জন্য নয়া নিয়ম, জানাচ্ছে হোয়াইট হাউস।
১৮০ দিন আগে করতে হবে আবেদন(USA)
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এখন থেকে ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ১৮০ দিন আগে নবীকরণের জন্য আবেদন করতে হবে বিদেশি কর্মীদের। দেরি হলে বা নথি অসম্পূর্ণ থাকলে নবীকরণ আটকে যেতে পারে। ফলে কর্মসংস্থান ঝুলে থাকার আশঙ্কা তৈরি হবে বহু বিদেশির ক্ষেত্রে। বিশেষত ভারতীয় আইটি পেশাজীবী ও প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের উপর এর প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি। হাজার হাজার ভারতীয় এইচ-১বি ভিসা বা নির্ভরশীল ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে(USA) কর্মরত, যাঁদের ইএডি নিয়মিত নবীকরণ করাতে হয়।

নজরদারি বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন(USA)
অভিবাসীদের উপর নজরদারি জোরদার করতে ট্রাম্প প্রশাসন আরও এক ধাপ এগিয়েছে। সূত্রের খবর, ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াও এখন বিদেশি কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, পেশাগত প্রোফাইল ও আর্থিক লেনদেনের তথ্যও পর্যবেক্ষণে রাখবে প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের দাবি, এতে বেআইনি অভিবাসন ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি কমবে।
আরও পড়ুন: Trump-Xi Jinping Meeting: চিন-মার্কিন সম্পর্ক কি ফিরছে পুরনো উষ্ণতায়?
তবে সমালোচকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বিদেশি দক্ষ কর্মীদের উপর চাপ বাড়াবে এবং মার্কিন সংস্থাগুলির কর্মীসংকট আরও প্রকট করবে। ট্রাম্পের এই নীতি আদতে তাঁর পূর্বের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতিরই সম্প্রসারণ।
প্রশ্ন উঠছে কার্যকারিতা নিয়ে
প্রশ্ন উঠছে, উগ্র দেশাত্ববোধের দোহাই দিয়ে এই নীতির আসল উপকারভোগী কে? সাধারণ আমেরিকান নাকি রাজনৈতিক স্বার্থ? এদিকে, নয়া নিয়ম কার্যকর হলে মার্কিন মুলুকে কর্মরত হাজারো প্রবাসী ভারতীয়দের প্রশাসনিক চাপ ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা আরও বেড়ে যাবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: Halloween 2025: ভয় নাকি আনন্দ? কীসের জাদু লুকিয়ে আছে হ্যালোউইনে?


