Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের কয়লা খনি শিল্পে এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে (Underground Coal Gasification)। আজ, বুধবার শুরু হচ্ছে বাণিজ্যিক কয়লা খনির চতুর্দশ দফার নিলাম, যেখানে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল গ্যাসিফিকেশন (Underground Coal Gasification) প্রযুক্তি। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ কোটি টন কয়লাকে গ্যাসে রূপান্তর করা। এটি জীবাশ্ম জ্বালানির উপর দেশের নির্ভরতা হ্রাসে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
কয়লাকে গ্যাসে রূপান্তরের প্রযুক্তি (Underground Coal Gasification)
ভূগর্ভস্থ কয়লাকে গ্যাসে রূপান্তর করার এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন কয়লা থেকে জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব, যা প্রচলিত পদ্ধতিতে খনন করা যায় না। ভূগর্ভে অবস্থিত কয়লাকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গ্যাসে রূপান্তর করে তা শক্তি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়।
এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে ভারতের গভীর স্তরের কয়লা সম্পদ, যা এতদিন অপ্রয়োগিত ছিল, তা কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হতে পারবে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপস্থিতি (Underground Coal Gasification)
এই নিলাম পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কয়লা ও খনিমন্ত্রী জি কিশন রেড্ডি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পর্বে এমন খনিগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যেখানে ইতিমধ্যেই কয়লা পাওয়া গিয়েছে বা অনুসন্ধান চলছে। নতুন প্রযুক্তি-নির্ভর সংস্থা, বিনিয়োগকারী এবং খনন ক্ষেত্রে সক্রিয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাণিজ্যিক নিলামের ইতিহাস ও প্রভাব (Underground Coal Gasification)
২০২০ সালে শুরু হওয়া বাণিজ্যিক কয়লা খনি নিলাম প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই ভারতের কয়লা উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই নতুন পর্বের মাধ্যমে সরকার চাইছে, “Ease of Doing Business” আরও সহজ করা। বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করা, এবং, বেসরকারি অংশগ্রহণকে উৎসাহ দেওয়া। বাণিজ্যিক কাঠামো এখন কয়লা উৎপাদনে স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং আত্মনির্ভরতার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: World Cup 2025: অস্ট্রেলিয়ার বিজয় রথ থামানোর লক্ষ্যে ভারত
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন বিধান শুধু কয়লা শিল্পের উন্নয়নই নয়, বরং প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে।.এর ফলে দেশে নতুন প্রযুক্তির আগমন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, এবং কর্মসংস্থানের বিস্তার ঘটবে। ফলত, ভারত জ্বালানি উৎপাদনে আরও আত্মনির্ভর ও টেকসই পথে এগোবে।



