Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আবারও ভারতের বিশ্ব জয়। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন হরমনপ্রীত কৌররা। প্রথমবার আইসিসি মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত (Indian Women’s team)। দু’বছর আগে বিশ্বকাপ জয়ের কাছ থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল। রবিবার মহিলাদের বিশ্বকাপ ফাইনালে ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পুরো খেলা দেখলেন রোহিত শর্মা। হরমনপ্রীতদের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখে মেটালেন দু’বছর আগের আক্ষেপ। মাঠে বসেই চাক্ষুষ করলেন এবং উপভোগ করলেন দীপ্তিদের দাপট। ২০০৫ ও ২০১৭ সালে ফাইনালে উঠেও চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি মিতালী রাজদের। তৃতীয়বারের চেষ্টায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করে গোটা বিশ্বে রাজ করবেন ক্যাপ্টেন কৌরের টিম।
প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান করে। জবাবে ৪৫.৩ ওভারে ২৪৬ রানেই অল আউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাটে-বলে নজর কাড়লেন শেফালি বর্মা ও দীপ্তি শর্মা। সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও শতরান করে ট্র্যাজিক নায়িকা হয়েই থেকে গেলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক লরা উলভার্ট। ২০১১ সালে এই মুম্বইয়ের মাটিতেই (ওয়াংখেড়ে) দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন মহেন্দ্রসিং ধোনি। ১৪ বছর পর সেই মুম্বইয়েই ভারতকে প্রথমবার মহিলা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করলেন দীপ্তি, শেফালি, রিচা, হরমনপ্রীত, জেমিমা, শ্রী চরণীরা (Indian Women’s team)।
আরও পড়ুন: Ind vs Aus: টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া ভারত, হুবার্টে আজ অগ্নিপরীক্ষা সূর্যের দলের
এদিন সকাল থেকেই বৃষ্টি চিন্তার ছাপ ফেলে ছিল দর্শকদের কপালে। তার জন্য ম্যাচ শুরু হতেও দু’ঘণ্টা দেরি হয়। টসে জিতে প্রত্যাশিতভাবেই ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান প্রটিয়া অধিনায়ক উলভার্ট। ফাইনালেও হরমনপ্রীতের সহায় না হলেও ইতিহাস রচনা করলেন (Indian Women’s team)। প্রতিকা রাওয়াল চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের আগে দলে নেওয়া হয় শেফালি বর্মাকে। গত ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রান না পেলেও এদিন অভিজ্ঞ স্মৃতি মন্ধনাকে নিয়ে দুরন্ত শুরু করেন শেফালি। ওপেনিং পার্টনারশিপে দু’জনে ১০৪ রান যোগ করেন। ১৭.৪ ওভারে স্মৃতিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ট্রিয়ন। ৫৮ বলে ৮ বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৫ রান করে হাফ সেঞ্চুরির মুখ থেকে ফেরেন স্মৃতি।
বিশ্বকাপে বীরেন্দ্র সেওয়াগের রেকর্ড ভাঙল শেফালি (Indian Women’s team)
স্মৃতির ফিরে গেলেও ৪৯ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন শেফালি। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে বীরেন্দ্র সেওয়াগের রেকর্ড ভেঙে দেন। পুরুষ ও মহিলা বিশ্বকাপ মিলিয়ে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ফাইনালে অর্ধশত রান করার রেকর্ড এতদিন ছিল সেওয়াগের। ২০০৩ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২৪ বছর ১৫৪ দিন বয়সে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন বীরু। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফাইনালে ২১ বছর ২৭৮ দিন বয়সে এই নজির গড়লেন শেফালি। এদিন আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন শেফালি।
পুরুষ ও মহিলা বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনও ভারতীয় ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বোচ্চ রান করলেন তিনি। ৭৮ বলে ৭ বাউন্ডারি ও জোড়া ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৮৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেললেন তিনি। শুধু ব্যাট হাতে নয় বল হাতেও কামাল করলেন। ৭ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে নিলেন দুই উইকেট নিয়ে ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার হলেন (Indian Women’s team)। তাঁর শিকার হয়ে ফিরলেন সুনে লুস ও মারিজানি ক্যাপ।

একটা সময় ভারত (Indian Women’s team) যেভাবে ব্যাট করছিল তাতে মনে হচ্ছিল ৩২০-৩২৫ রান উঠবে। কিন্তু গত ম্যাচে ম্যাচ উইনিং সেঞ্চুরি করা জেমিমা (২৪), হাফসেঞ্চুরি করা হরমনপ্রীত (২০), আমনজ্যোৎ কৌররা (১২) বড় পার্টনারশিপ করতে না পারায় বড় রানের প্রত্যাশা ধাক্কা খায়। তবে দীপ্তি শর্মা এবং বঙ্গতনয়া রিচা ঘোষ ধাক্কা সামলে দলকে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯৮ রানে পৌঁছে দেন। শেষ দশ ওভারে ভারতের ওঠে মাত্র ৬৯ রান। আর শেষ পাঁচ ওভারে ওঠে মাত্র ৩৬ রান।
শেষের ১০ ওভার বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং করেন খাকা, নাদিন ডি ক্লার্করা। দীপ্তি, রিচাদের স্টাম্প টু স্টাম্প বল করে বড় শট মারা বন্ধ করে দেন। তার সঙ্গে প্রোটিয়াদের দুরন্ত ফিল্ডিংয়ে আরও ২০-২৫ রান কম ওঠে। আর তাতেই ৩০০ রানের গণ্ডি টপকানো সম্ভব হয়নি ভারতের। ৫৮ বলে ৩ বাউন্ডারি এবং এক ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৮ রান করেন দীপ্তি। ২৪ বলে তিন বাউন্ডারি এবং জোড়া ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ভারতকে বড় রানে পৌঁছে দেন রিচা। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খাকা ৩টি এবং নাদিন ডি ক্লার্ক, ট্রিয়ন ও নোনকুলুলেকো একটি করে উইকেট পান।
মাঠ বদলানোয় ভাগ্য বদল! (Indian Women’s team)
ডিওয়াই পাটিলের মতো ছোট মাঠে ২৯৯ রানের টার্গেট খুব একটা কঠিন ছিল না। তার উপর ভারতের বোলিংও শেষ কয়েকটি ম্যাচে আহামরি হয়নি। ফিল্ডিংও ছিল তথৈবচ। তাই প্রতিপক্ষ দলে লরা উলভার্টের ব্যাটসম্যান থাকায় মাঠে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেও একটা দুশ্চিন্তা ছিল। উলভার্ট যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন ততক্ষণই দুশ্চিন্তা ছিল। তিনি ফিরতেই ভারতের প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত হয়ে যায় (Indian Women’s team)। সেমিফাইনালের পর রবিবার ফাইনালেও ভারতের বিরুদ্ধে শতরান করেও দেশকে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করতে পারলেন না প্রোটিয়া অধিনায়ক উলভার্ট।

তবে রবিবার ফাইনালে (Indian Women’s team) ভারতীয় বোলাররা দুরন্ত বল করলেন এবং গ্রাউন্ড ফিল্ডিংও ভালো হল। দু’টো ক্যাচ পড়লেও প্রতিটা বলে রান বাঁচানোর জন্য ঝাঁপাতে দেখা গেল ভারতীয় খেলোয়ারদের। নিজেদের উজাড় করে দিলেন ১১জন ভারতীয় কন্যা। আর এই দুরন্ত ফিল্ডিংয়ের জন্যই দশম ওভারে ৫১ রানের মাথায় দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনিং জুটি ভাঙল। সরাসরি থ্রোয়ে ২৩ রানের মাথায় তাজমিন ব্রিটসকে রান আউট করলেন আমনজ্যোৎ কৌর। ১২তম ওভারে আনেকে বশকে (০) খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে দিয়ে প্রোটিয়া শিবিরে দ্বিতীয় ধাক্কা দেন শ্রী চরণী।
তৃতীয় উইকেটে সুনে লুসের সঙ্গে জুটি বাঁধেন উলভার্ট। সেই জুটি যখন ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল, ঠিক তখনই একটা ফাটকা খেললেন হরমনপ্রীত। এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাত্র ১৪ ওভার বল করা শেফালিকে নিয়ে আসেন বোলিংয়ে। বল হাতেও অধিনায়কের বিশ্বাসের অমর্যাদা করেননি শেফালি। প্রথম ওভারেই সুনে লুসকে (২৫) ফেরিয়ে ভারতকে খেলায় ফেরান তিনি। নিজে বল করে নিজেই ক্যাচ ধরেন। যদিও ২৪ রানের মাথায় লুসের ক্যাচ ফেলেন দীপ্তি।

মূলত শেফালি, দীপ্তি এবং শ্রী চরণীর স্পিন ত্রিফলাতেই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইনআপ। ২৩তম ওভারে মারিজানি ক্যাপকে (৪) ফিরিয়ে আরও বড় ধাক্কা দেন শেফালি। ৩০তম ওভারে সিনালো জাফটাকে (১৬) ফিরিয়ে পঞ্চম ধাক্কাটি দেন দীপ্তি। প্রোটিয়া মিডল অর্ডার ও টেল অর্ডারকে প্রায় একা হাতেই শেষ করে দেন তিনি। ভাল বল করলেন ভারতের আর এক স্পিনার শ্রী চরণীও (Indian Women’s team)।
আরও পড়ুন: India vs South Africa: বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালের আগে দুই দলের খুঁটিনাটি
একদিকে উইকেট পড়লেও দলকে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করতে মরিয়া চেষ্টা করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক উলভার্ট। ষষ্ঠ উইকেটে আনেরি ডের্কসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন উলভার্ট। দু’জনের ৬১ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে কিছুটা চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। ২০৯ রানের মাথায় ডের্কসেনকে ফিরিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন সেই দীপ্তি। ক্লিন বোল্ড হয়ে ৩৭ বলে এক বাউন্ডারি ও জোড়া ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ডের্কসেন (Indian Women’s team)। চাপের মধ্যেও নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উলভার্ট।
কিন্তু রান রেট ক্রমশ বাড়তে থাকায় বড়শট খেলতে গিয়ে দীপ্তির বলে আমনজ্যোতের হাতে ধরা পড়েন। ক্যাচ ধরতে গিয়ে বল হাত থেকে ছিটকে গিয়েছিল আমনজ্যোতের। তবুও বল তালুবন্দি করতে ভুল করেননি তিনি। ৯৮ বলে ১১ বাউন্ডারি ও এক ওভার বাউন্ডার এর সাহায্যে করা তার ১০১ রানের ইনিংস কোনও কাজে এল না। উলভার্ট ফিরতেই ভারতের প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। তিনি যখন আউট হন তখন ৪১.১ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৭ উইকেটে ২২০।

উলভার্ট যখন ফেরেন তখন দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫৩ বলে ৭৯ রান। উলভার্ট ফিরলেও ভারতের সামনে আরও একটা কাঁটা ছিল। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ক্লোয়ি ট্রিয়ন ও নাদিন ডি ক্লার্কের জুটি ভারতকে হারিয়েছিল। তবে এদিন তা আর হয়নি। দু’জনকেই দ্রুত ফিরিয়ে দেন দীপ্তি। মাঝে রান আউট হন খাকা (১)। ট্রিয়ন ফেরেন ৯ রান করে। আর ৪৫.৩ ওভারে ক্লার্কের (১৮) ক্যাচ ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত ধরতেই ইতিহাস রচনা হয় (Indian Women’s team)।
যদিও ক্লার্কের ক্যাচ বাউন্ডারিতে জেমিমা না ফেললে আরও কিছুটা আগেই প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় সেলিব্রেশন শুরু করতে পারতেন হরমনপ্রীতরা। ব্যাট হাতে হাফসেঞ্চুরি করার পর বল হাতে ৯.৩ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিলেন দীপ্তি। জোড়া উইকেট শেফালির। একটি উইকেট নিলেন শ্রী চরণী। চাপের মুহূর্তে এদিন বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্ব করলেন হরমনপ্রীতও। ভুল আরো ফিল্ডারদের উদ্দীপ্ত করে গেলেন। প্রতি বলে ঈশ্বর স্মরণ করতেও দেখা গেল তাঁকে। তাঁর সেই প্রার্থনা সার্থক করেছেন ক্রিকেট ঈশ্বরও।
দু’দিন আগে সেমিফাইনালে এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়াকে রেকর্ড রান তাড়া করে হারিয়ে মাঠেই আনন্দ অশ্রুতে চোখ ভিজিয়েছিলেন জেমিমা, হরমনপ্রীতরা। তাঁদের চোখের জলে ভিজেছিল সমস্ত ভারতবাসীর চোখ। রবিবার তারই পুনরাবৃত্তিতে একটা বৃত্ত সম্পন্ন হল। আবারও কাঁদল গোটা দেশ। এই কান্না আনন্দের, এই কান্না গর্বের, এই কান্না নারী জাতির অনুপ্রেরণার হাতিয়ার। রবিবার পুরস্কার বিতরণী মঞ্চেও এক অভাবনীয় মুহূর্তের সাক্ষী রইল গোটা বিশ্ব (Indian Women’s team)। আইসিসি সভাপতি জয় শাহর হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি নেওয়ার সময় তাঁকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে গেলেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত।

শুধু জিততে শেখানো নয়, আরও অনেক কিছুই শিখিয়ে গেলেন ভারতের এই ‘ধন্যি মেয়েরা’। ট্রফি নিয়ে দলের সেলিব্রেশনের সময় নিজেদের আর ধরে রাখতে পারলেন না ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি মিতালী রাজ এবং ঝুলন গোস্বামী। মাঠে নেমে তাঁরাও উত্তরসূরিদের সঙ্গে সেলিব্রেশনে গা ভাসালেন (Indian Women’s team)। দুই প্রাক্তন অধিনায়ক দেশকে অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। কিন্তু বিশ্বকাপ জেতা হয়নি। সেই আক্ষেপ ও কষ্টটা এত আনন্দের মাঝেও আলাদা করে চোখে পড়েছিল হরমনপ্রীতের। সকলের মাঝে মিতালী ও ঝুলনকে খুঁজে নিয়ে তাঁদের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফিটা তুলে দিলেন। ট্রফি নিয়ে বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসে মাতলেন ঝুলন, মিতালী। সকলকে জড়িয়ে ধরে আবেগের কান্নায় ভাসলেন। দুই গুরুকে যেন গুরুদক্ষিণা দিলেন হরমনপ্রীতরা। এও এক অবিস্মরণীয় ও বিরল মুহূর্ত হয়ে থেকে গেল ক্রিকেট ইতিহাসে।



