Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ধৃত চিকিৎসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে খোঁজ মিলল বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকের (Delhi)।
পাক মদতে ফের নাশকতার ছক? (Delhi)
ভারতে ফের নাশকতার ছক কষছে পাক পাক মদতপুষ্ট নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন। গোয়েন্দা সূত্রে এই খবর আসার পরেই সতর্ক হয় নয়াদিল্লি। সেনা থেকে পুলিশ প্রশাসন আরও সতর্ক হয় জঙ্গি দমনে। কাশ্মীরে একে-৪৭ রাইফেল রাখার অভিযোগে ধৃত চিকিৎসকের সূত্র ধরে এবার খোঁজ পাওয়া গেল বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকের। দিল্লির কাছে হরিয়ানার ফরিদাবাদ এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। অনন্তনাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেসিডেন্ট চিকিৎসককে জেরায় উঠে আসা তথ্যসূত্র ধরেই এই খোঁজ পায় জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ (Delhi)।
রবিবার ফরিদাবাদের আল ফালাহ হাসপাতালে যৌথ অভিযান চালায় জম্মু ও কাশ্মীর ও হরিয়ানা পুলিশ। সেখান থেকেই উদ্ধার এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। রাজধানী দিল্লির এত কাছে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুতের পিছনে কী পরিকল্পনা ছিল সেটা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। হরিয়ানার ফরিদাবাদ দিল্লির কাছে অবস্থিত হওয়ায় এমনিই সেখানে নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকে। এমনকী হাসপাতালে কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে নজর এড়িয়ে সেখানে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত করা হলো সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে অনুমান করা হচ্ছে বড়সড় কোনও নাশকতার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশের তৎপরতায় মিলল এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। ঘটনায় আর কারা যুক্ত তা জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ (Delhi)।

শ্রীনগরে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সমর্থনে পোস্টার লাগানোর অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর থেকে পুলিশ একজন কাশ্মীরি ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করার কয়েকদিন পরেই এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হলো। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন চিকিৎসক ডাঃ আদিল আহমেদ রাথের। অনন্তনাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেসিডেন্ট চিকিৎসক তিনি। তাঁর হাসপাতালের লকার থেকে AK-47 রাইফেল-সহ গোলাগুলিও উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আদিলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ধারা ৭/২৫ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের ১৩, ২৮, ৩৮ এবং ৩৯ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে (J&K)।
আরও পড়ুন: Winter Forecast: জেলায় জেলায় শিরশিরানি হাওয়া, দরজায় কড়া নাড়ছে শীত…
ডাঃ আদিল ছাড়াও এই ঘটনায় ডাঃ মুজাহিল শাকিল নামে আরও এক চিকিৎসকও গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলওয়ামা জেলার কোয়েলের বাসিন্দা তিনি। এ দিকে ডাঃ আদিলকে জেরা করেই হরিয়ানায় এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত থাকার সূত্র মেলে। ডাঃ আদিলের লকার থেকে পাওয়া রাইফেলটি এখন ফরেনসিক টিমের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে সেটা রাইফেলটি আগে কোনও অপরাধমূলক বা জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা (Delhi)।


