Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত-পাকিস্তান আলোচনা নিয়ে আরএসএস-এর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে “ইতিবাচক অগ্রগতি” বলে উল্লেখ করেছে পাকিস্তান(RSS Pak)। ব্যাকচ্যানেল আলোচনার পক্ষেও ইঙ্গিত দিয়েছে। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “ভারতের ভিতরে সংলাপের পক্ষে যে আওয়াজ উঠছে, তা অবশ্যই ইতিবাচক।” তবে ব্যাকচ্যানেল আলোচনার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকার করে তিনি জানান, এ ধরনের আলোচনার স্বার্থেই গোপনীয়তা বজায় রাখা জরুরি।
আলোচনার পক্ষে আরএসএস (RSS Pak)
এই প্রতিক্রিয়া আসে আরএসএস-এর সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবালের বক্তব্যের পর। তিনি বলেন, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতকে কড়া জবাব দিতে হবে, কিন্তু একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার পথও খোলা রাখতে হবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর উদাহরণ টেনে হোসাবালে বলেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও যোগাযোগের দরজা পুরোপুরি বন্ধ করা উচিত নয়।
‘আলোচনার জানলাও খোলা রাখতে হবে’ (RSS Pak)
হোসাবালে বলেন, “পাকিস্তান যদি পুলওয়ামার মত ঘটনা ঘটিয়ে উসকানি দেয়, তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী কঠোর জবাব দিতে হবে। দেশের নিরাপত্তা ও আত্মসম্মান রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু একই সঙ্গে আলোচনার জানলাও খোলা রাখতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং ভিসা পরিষেবা চালু থাকাই প্রমাণ করে যে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয় না।
আরও পড়ুন: Pak Terror Attack: পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা: বিস্ফোরকভর্তি ট্রাক নিয়ে নিরাপত্তা শিবিরে আক্রমণ, নিহত ৯
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চার দফা আলোচনা (RSS Pak)
সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পহেলগাম হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দফা ট্র্যাক ১.৫ ও ট্র্যাক ২ পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাজ্য, ওমান এবং থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকগুলোতে অংশ নেন বর্তমান ও প্রাক্তন সরকারি কর্মকর্তা, সাংসদ এবং কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আরএসএসকে বিজেপির আদর্শ অভিভাবক হিসেবে দেখা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপির বহু শীর্ষ নেতা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।



