Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর (Rahul Gandhi) দেশের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। এনডিএ ২০০-এরও বেশি আসন পেয়ে প্রায় সব প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। অন্যদিকে, মহাগঠবন্ধনের অংশ কংগ্রেস এবারের নির্বাচনে প্রায় “শূন্যের কাছাকাছি” অবস্থানে এসে ঠেকেছে।
কংগ্রেসের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক (Rahul Gandhi)
৬১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৬টি আসন জিতে (Rahul Gandhi) কংগ্রেসের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে পড়েছে। তুলনামূলকভাবে, ২০২০ সালে তারা ১৯টি আসন জিতেছিল। আর মহাগঠবন্ধনের আরজেডি এবার ২৫টি আসন অর্জন করেছে, যা ২০২০ সালের ৭৫ আসনের থেকে কম।

ফলাফল নিয়ে হতাশ (Rahul Gandhi)
নির্বাচনের ফলাফলের পর কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) প্রকাশ্যে নিজের উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বিহারের এই ফল সত্যিই বিস্ময়কর। আমরা এই নির্বাচনে জয়ী হতে পারিনি, যেখানে প্রথম থেকেই স্বচ্ছতার অভাব ছিল।” তিনি আরও যোগ করেন, “যাঁরা মহাগঠবন্ধনকে সমর্থন করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। লক্ষ লক্ষ ভোটার এই বিশ্বাস রেখেছেন।” এই মন্তব্যে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, রাহুল গান্ধী শুধু ফলাফল নিয়ে হতাশ নন, পাশাপাশি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

ভোটার অধিকার যাত্রা’
রাহুল গান্ধী বিহারে নির্বাচনের আগে ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার ওপরও প্রশ্ন তুলেছিলেন। হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পরও তিনি সম্প্রতি নিজের মতামত প্রকাশ করেছিলেন। এবার বিহারের ফলাফলের পরও তিনি আবার মুখ খুলেছেন এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই
এছাড়াও রাহুল গান্ধী গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই জারি রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি লেখেন, “গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার লড়াই চলছেই। কংগ্রেস ও ‘ইন্ডিয়া’ জোট এই ফলাফল নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে। গণতন্ত্র রক্ষার প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হবে।” এই বক্তব্যে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, দল হতাশ হলেও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা বজায় রেখেছে।

আরও পড়ুন: Gaza: ছাদ নেই মাথার উপর: ভারী বৃষ্টিতে প্লাবিত ত্রাণশিবির, দুর্দশায় গাজাবাসী
বিহারের নির্বাচনে কংগ্রেসের পতন শুধু একটি দলীয় প্রাপ্তির প্রশ্ন নয়, বরং মহাগঠবন্ধনের ভেতরের সমন্বয় ও পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে বড় ধরনের আলোচনা শুরু করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কংগ্রেসকে পুনরায় নিজের ভূমিকা ও কৌশল শক্তিশালী করতে হবে।


