Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর ২৪ পরগণার ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশীরা চাইলেই সঙ্গে সঙ্গে দেশে ফিরে যেতে পারবেন না (Police Verification)। বিএসএফ জানিয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়া হবে এদেশে কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন কি না, বেআইনিভাবে বসবাস করছিলেন কি না। সব তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরেই তাঁদের দেশে ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে। বিএসএফ মুখপাত্র ডিআইজি এন. কে. পাণ্ডে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন এটি নিয়মিত প্রক্রিয়া ও নির্দিষ্ট গাইডলাইন অনুযায়ী সম্পন্ন হয়।

এসআইআর চালুর পর ফেরত যাওয়ার ঢল (Police Verification)
এসআইআর ব্যবস্থার পর ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করেছে বহু বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী। উত্তর ২৪ পরগণার স্বরূপনগর ও হাকিমপুর সীমান্তে বহু পরিবার তাঁদের লটবহর, সামান্য জিনিসপত্র নিয়ে কয়েকদিন ধরে অপেক্ষা করছেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি গত সপ্তাহে ২৫–৩০ জন করে অনুপ্রবেশকারী এই পথে ফিরে যাচ্ছিলেন, আর এখন প্রতিদিন প্রায় ১০০ জন করে সীমান্তে এসে উপস্থিত হচ্ছেন।

স্থানীয়দের সহায়তা ও খাবারের ব্যবস্থা (Police Verification)
প্রথমদিকে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী তাঁদের কাছে খাবার বিক্রি করতে অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে মহিলা, শিশু ও বয়স্কদের চরম অসুবিধায় পড়তে হয়। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবী ও সাধারণ বাসিন্দারা এগিয়ে আসেন। তাঁরা শুকনো খাবার, পানীয় জল, বিস্কুট, লজেন্স ইত্যাদি বিতরণ করেন। রাতের ঠান্ডা ও কষ্ট দেখে ত্রিপল টাঙিয়ে আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা হয় এবং প্রতিদিন অন্তত একবেলা খিচুড়ি সরবরাহ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: SIR: কলকাতায় ফর্ম বিলিতে ধীরগতি, সতর্ক করল কমিশন!

এদেশে বসবাসের স্বীকারোক্তি
সীমান্তে আটকে থাকা বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বাসিন্দা মেহেদী হাসান রহমান জানান তিনি কয়েক বছর আগে বিএসএফকে ফাঁকি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং গান-বাজনা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর বাবা কলকাতায় রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু এসআইআর চালু হওয়ায় তাঁরা আর ঝুঁকি নিতে পারছেন না এবং বাধ্য হয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।



