Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Deadline for Submission)। এর ফলে পিছিয়ে গেল ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশের দিন। এতদিন ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, নতুন তারিখ ১৬ ডিসেম্বর। এসআইআর শুরু হতেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে চরম উদ্বেগে ছিলেন ব্লক লেভেল অফিসাররা (বিএলও)। স্কুলের দায়িত্ব সামলে বাড়তি কাজের চাপ তাঁদের উপর মানসিক ও শারীরিক দুইভাবেই প্রভাব ফেলছে বলে অভিযোগ। কেউ ট্রেনিংয়ের মাঝে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন, কেউ বা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হয়েছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সিইও দফতরে বিএলও-দের বিক্ষোভ আরও উত্তপ্ত হয়। মৃত বিএলও-দের পরিবারের সদস্যরাও তাঁদের দাবির সমর্থনে হাজির হন। ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই কমিশনের তরফে জানানো হল সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে।

দুই তারিখেই বড় পরিবর্তন (Deadline for Submission)
কমিশনের নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু খসড়া তালিকাই নয়, পিছিয়ে গেল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও। আগের তারিখ: ৯ ডিসেম্বর – খসড়া তালিকা, ৭ ফেব্রুয়ারি – চূড়ান্ত তালিকা নতুন তারিখ: ১৬ ডিসেম্বর – খসড়া তালিকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি – চূড়ান্ত তালিকা, এই পরিবর্তনে প্রশাসনিক দফতর থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলেও নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
তালিকা থেকে বাদ ৩৫ লক্ষের বেশি নাম (Deadline for Submission)
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন যে তথ্য জানিয়েছে, তাতে স্পষ্ট এবার খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে মোট ৩৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৮০০ ভোটারের নাম। এর মধ্যে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ: মৃত ভোটার, সংখ্যা: ১৮ লক্ষ ৭০ হাজার
দীর্ঘদিন ধরে মৃত ভোটারের নাম তালিকায় থাকা নিয়ে বারবার অভিযোগ উঠছিল। এবার তার বড়সড় সংশোধন হয়েছে। স্থানান্তরিত ভোটার, সংখ্যা: ১১ লক্ষ ৮২ হাজার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বসবাস শুরু করায় নাম স্থানান্তরিত হয়েছে।, খোঁজ নেই যাঁদের, সংখ্যা: ৩ লক্ষ ৮০ হাজার নির্দিষ্ট ঠিকানায় খুঁজে পাওয়া যায়নি ফলে তালিকা থেকে বাদ। ডুপ্লিকেট ভোটার, সংখ্যা: ৭৭ হাজার ৫৬৫ একই ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় থাকায় তা সংশোধন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Cyclone Ditwah: ঘূর্ণিঝড় দিটওয়া স্থলভাগে ঢুকবে না, সমুদ্রপথেই উপকূল ছুঁয়ে উত্তরের দিকে অগ্রসর
প্রশাসনের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ
এসআইআর পর্বে সময়সীমা বাড়ানোয় কিছুটা স্বস্তি মিললেও, বিশাল পরিমাণ তথ্য সংশোধনের কাজ এখন আরও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলার নির্বাচন দফতর, স্থানীয় প্রশাসন ও স্কুলশিক্ষকদের উপর নির্ভরশীল বিএলও-রা নতুন সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।



